সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আবরার হত্যাকারীরা ছাত্রলীগ পরিচয়ের হলেও প্রধানমন্ত্রী কাউকে ছাড় দেননি। হত্যাকাণ্ডের পর পরই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ছাত্র শিক্ষকদের যে দাবি, তাও মেনে নেওয়া হয়েছে। শুদ্ধি অভিযানের মতই কে কোন দলের সেটা বিবেচনায় ছাড় না দিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে জড়িত সেটা বিবেচনায় নিয়েই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দলের কেউ থাকলেও তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। গতকাল শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনাঘাট এলাকায় সড়কের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজের) ঊর্ধ্বতন বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন বিভিন্ন কর্মকর্তা। এসময় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, নতুন সম্মেলন মানেই নতুন মুখ আর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের ব্যাপারে কোনো আপোষ নেই। যথাসময়ে সম্মেলন হয় আর এবারও যথাসময়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রবীণ তরুণ অভিজ্ঞদের সমন্বয় ঘটিয়ে আমরা দলকে সামনে দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। এখানে পরিবর্তন হবে, নতুন মুখ আসবে। আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলনের বয়স অনেক বেশি হয়েছে গেছে। ৭,৮,৯ বছর হয়েছে তাই সম্মেলন করা অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে। সম্মেলনে দলকে ঢেলে সাজানো হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, বিরোধীদল কনস্ট্রাক্টিভ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। আমরাও তাদের ব্যাপারে অনেক সহনশীল। বিএনপির সাত জন সংসদ সদস্য থাকার পরও একজন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য দেওয়া হয়েছে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা পার্লামেন্টের ভেতরে বাইরে যা খুশি বলছেন। বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন। কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না। যে সহনশীল আচরণ করা হচ্ছে তা শেখ হাসিনা সরকার আছে বলেই করা হচ্ছে।