দৈনিক ইত্তেফাক ও পাক্ষিক অনন্যা সম্পাদক তাসমিমা হোসেন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘যুক্তি ও তর্কের মাধ্যমে অর্জিত শিক্ষা বইয়ের বাইরেও জীবনে কীভাবে কাজে লাগাতে হয় তার জন্য বিতর্ক চর্চার প্রয়োজন রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক নিজের আত্মার সঙ্গে বিতর্ক করি, আবার কখনো সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে বিতর্ক করি। বিতর্কের প্রভাব আমাদের জীবনেও রয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এনডিএফবিডি ঢাকা জেলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও উত্সব-২০১৯-এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘সাহিত্যের মানুষরা আমাদের জীবনেও প্রভাব বিস্তার করেছে, আজকে তোমরা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেটিই ফুটিয়ে তুলেছ। আর এই বিতর্ক চর্চার সঙ্গে থেকেই তোমরা অনেক দূর এগিয়ে যাবে—এই প্রত্যশাই করছি।’ ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশন বাংলাদেশের সভাপতি এ কে এম শোয়েবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল নূর নাহার ইয়াসমিন, মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল নাসরিন নাহার প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে এ কে এম শোয়েব বলেন, বাংলাদেশে বেগম পত্রিকার পরে যেই পত্রিকা নারীর জন্য কাজ করে যাচ্ছে সেটি হলো ‘অনন্যা’। আর সেই পত্রিকার সম্পাদকই আমাদের আজকের অনুষ্ঠানে রয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত্ নারীর জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, বিতর্ক যখন পাঠ্যসূচি হিসেবে সংযুক্ত হবে তখন শিক্ষার্থীদের জ্ঞান আরো সমৃদ্ধ হবে।
ঢাকা জেলার প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু হয় এ বিতর্ক প্রতিযোগিতা। এতে কলেজ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ক্যাব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ। রানার্সআপ হয় বি এ এফ শাহীন কলেজ। আর স্কুল পর্যায়ে বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন হয় শহীদ আনোয়ার গার্লস কলেজ। রানার্সআপ হয় শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ।