স্পোর্টস ডেস্ক
নিজেদের মাঠে ম্যাচের সাত মিনিটেই প্রতিপক্ষকে চমকে দিয়ে গোল করে বসে মায়োর্কা। বাকিটা সময় আর সেই পিছিয়ে থাকা কাটিয়ে উঠে ম্যাচে ফিরতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। বরং, এলোমেলো ফুটবল খেলে হয় সমালোচিত। ফলাফল শনিবার রাতে ১-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় স্প্যানিশ এই জায়ান্ট ক্লাবটিকে।
২০০৯ সালের পর মায়োর্কার বিপক্ষে এটাই তাদের প্রথম হার। যদিও, এমন হারের পরও উদ্বিগ্ন নন কোচ জিনেদিন জিদান। তিনি ম্যাচ শেষে বলেন, ‘সমস্যাটা হলো, আমাদেরকে প্রতি তিন দিন পরপর প্রমাণ করতে হচ্ছে যে, আমরা ভালো দল। এটাই কঠিন। আমরা এটা করতে পারছি না। তবুও, আমি বলব না যে, আমি উদ্বিগ্ন। কারণ, আমি এই শব্দটা পছন্দ করি না। তবে আমরা যদি এই মৌসুমে কিছু জিততে চাই তাহলে আমাদেরকে ধারাবাহিক হতে হবে।
এই হারে রিয়াল মাদ্রিদ লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে যেতে ব্যর্থ হলো। লা লিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা শীর্ষেই রয়েছে। ৯ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে লিওনেল মেসিরা। আর রিয়াল মাদ্রিদ ১৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচটিতে ৭৪ মিনিটের পর ১০ জন নিয়ে খেলেছে। আলভারো লাল কার্ড নিয়ে মাঠ ছাড়েন। মায়োর্কা রিয়াল মাদ্রিদকে গোলমুখে সফল হতে দেয়নি। যদিও, ম্যাচে ফিরতে মরিয়া ছিলেন বেনজেমা, হামেস রদ্রিগেজরা। তবে প্রতিপক্ষের গোলমুখে তাদের বিবর্ণ রূপে ম্যাচে ফেরা হয়নি জিদান শিষ্যদের। ম্যাচের শেষ দিকে ফ্রি কিক থেকে গোল করার সুযোগ হাতছাড়া করেন রামোস, বেনজেমা। সেটা হলে হয়তো ম্যাচের ফলাফলটা একটু ভিন্ন হতে পারত। টনি ক্রুস কিংবা লুকা মড্রিচ — নিয়মিত একাদশে থাকা এমন অনেককেই এবার মাঠে দেখা যায়নি। তারপরও কোচ জিদান কোনো অজুহাত দিলেন না। তিনি বলেন, ‘চোট বা ইনজুরি কোনো অজুহাত নয়। আমাদের এমন খেলোয়াড়ও আছে যাদের চোট নেই, আমাদের আরো অনেক ভালো খেলোয়াড়ও আছে। যখন তাদের সুযোগ আসবে তখন তাদের দেখাতে হবে যে, তারা এই পর্যায়ে খেলার মতো। চোটাক্রান্ত খেলোয়াড়দের ব্যাপারে আমরা কিছুই করতে পারব না।’