দাবি পূরণের কোনো আশ্বাস না পেয়ে সোমবার সকাল থেকে আমরণ অনশন শুরু করেছেন নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। নীতিমালার সংশোধনের মাধ্যমে এমপিওভুক্তি চান শিক্ষক-কর্মচারীরা। এ দাবিতে সোমবার থেকে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ব্যানারে অনশন শুরু করেছেন শিক্ষকরা।
অনশনরত শিক্ষকরা জানান, একাডেমিক স্বীকৃতির মানদণ্ডে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন তারা। এ দাবি আদায়ে গতকাল শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে আড়াইঘণ্টার বৈঠকে কোনো দাবি মানার আশ্বাস না পাওয়ায় ফের অনশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নন-এমপিও শিক্ষক নেতারা। সে প্রেক্ষিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে।
আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, সুনির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও দেওয়া হবে। বিদ্যমান এমপিও নীতিমালা সংশোধন করা হবে। পরিবর্তিত নীতিমালা অনুযায়ী এখন থেকে প্রতিবছর এমপিও দেওয়া হবে। এমপিওপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মান নিয়মিত মনিটর করা হবে এবং যারা নীতিমালা অনুযায়ী ফলাফল করবে না তাদের এমপিও বাতিল করা হবে। তাই আন্দোলন ছেড়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এমপিওভুক্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাত্ ও হস্তক্ষেপ কামনা করে গত ১৪ অক্টোবর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের নেতারা। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ১৭ অক্টোবর দুপুর ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করলেও প্রেসক্লাবের কাছে কদম ফোয়ারার সামনে মিছিলের গতিরোধ করে পুলিশ। সেখান থেকে ফিরে এসে তারা ফের প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন।