গফরগাঁওয়ে বিদ্যালয় চলাকালীন এক ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক জিল্লুর রহমান শামীমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। জিল্লুর রহমান শামীম ধোপাঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। এই ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গফরগাঁও-ভালুকা সড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ভিকটিমের পরিবার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার টিফিন পিরিয়ডে জিল্লুর রহমান শিশু শ্রেণির কক্ষে ঐ শিক্ষার্থীকে অঙ্ক দেখানোর নাম করে ডেকে নিয়ে যায়। শিশু শ্রেণি ছুটি হয়ে যাওয়ায় ঐ কক্ষ খালি ছিল। এক পর্যায়ে জিল্লুর রহমান রুমের দরজা বন্ধ করে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় ছাত্রীর চিত্কার শুনে সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান ও দপ্তরি ইমরান ঐ রুমের দরজা ভেঙে মেয়েটিকে উদ্ধার করে। জিল্লুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এরপর থেকে জিল্লুর রহমান বিভিন্ন মহলে তদবির করে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
গতকাল কয়েকশ কোমলমতি শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের সামনে গফরগাঁও-ভালুকা সড়ক দুই ঘণ্টা অবরোধ করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এ সময় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সালমা আক্তার জিল্লুর রহমান শামীমের বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানালে শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়।
প্রধানশিক্ষক রাবেয়া পারভীন বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক জিল্লুর রহমান পলাতক রয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।