শান্তিরহাট-কালিগঞ্জ সড়কের পাঁচ কিলোমিটার জুড়ে দুর্ভোগ!

পটিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় শান্তিরহাট-কালিগঞ্জ সড়কের শান্তিরহাট বাজার এলাকায় বড়ো বড়ো গর্ত হয়ে পানি জমে সড়কটি যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকাবাসী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাসহ সড়কটি আরসিসি ঢালাই করার দাবি জানিয়েছে।

জানা যায়, পটিয়া উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের শান্তিরহাট বাজার থেকে আনোয়ারা-কালিগঞ্জ সেতু পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। বর্তমানে সড়কটির বিভিন্ন অংশে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড়ো বড়ো গর্ত হয়ে চলাচল করার অনুপোযুগী হয়ে পড়েছে। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শান্তিরহাট বাজার, বুধপুরা বাজার, নয়াহাট বাজার, খলিলমীর ডিগ্রি কলেজ, জিরি দিলোয়ারা বেগম দাখিল মাদ্রাসা, করর্তলা বেলখাইন হাই স্কুল, কাশিয়াইশ হাই স্কুলসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসকারি প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার স্থানীয় বাসিন্দা চলাচল করে থাকে। বর্তমানে শান্তিরহাট বাজার এলাকায় প্রায় অর্ধকিলোমিটার সড়ক পানি জমে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড়ো বড়ো গর্ত হয়ে কাদা পানিতে একাকার হয়েছে। ফলে বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাছাড়া এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীবাহী টেম্পো, কার, মাইক্রো, ট্রাক, পিকআপ, গাড়িসহ বিভিন্ন গাড়ি চলাচল করে থাকে।

পশ্চিম পটিয়ার উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা এম. এ. হাকিম, শান্তিরহাট বাজার কল্যাণ সমিতির সভাপতি নুরুল আলম সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন, শান্তিরহাট মীর সুপার মার্কেট সমিতির সভাপতি মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, রাস্তায় পানি জমে থাকার কারণে রাস্তাটি বার বার ভেঙে যাচ্ছে। ফলে সরকারের লাখ লাখ টাকার অপচয়সহ জনসাধরণের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কের পাশে ড্রেন করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা এবং বাজার এলাকায় উঁচু করে আরসিসি ঢালাই করে কাজ করলে রাস্তা টেকসই হবে।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পটিয়া উপবিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন জানান, শান্তিরহাট-কালিগঞ্জ সড়কটির মেরামতসহ কারপেটিং করার জন্য টেন্ডার দেওয়া হবে। বৃষ্টি শেষ হলে সহসা কাজ করা হবে। তবে আরসিসি ঢালাইসহ টেকসই কাজ করার জন্য আন্তঃজেলার সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে এই সড়কসহ তিনটি জেলা সড়কের উন্নয়নে একটি বড়ো প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তা পরিকল্পনা কমিশনে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে একনেকে প্রকল্প পাশ হলে আগামী বছরের আরসিসি ঢালাইসহ সড়কের টেকসই উন্নয় করা হবে।