মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেছেন, শেভরনের মতো আমেরিকান কোম্পানিগুলো কেবল যে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা নয়, এ দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে বড়ো বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শেভরন স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করতে কাজ করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে প্রতিষ্ঠানটি যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তা এ সফরে দেখার সুযোগ হয়েছে। আমরা চাই শেভরনসহ অন্য মার্কিন কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখুক। এ দেশের অর্থনীতিতে নতুন নতুন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি চালু করুক। এতে আরো বেশিসংখ্যক লোকের সঙ্গে সমৃদ্ধি ভাগ করে নেওয়া যাবে। এর মাধ্যমে আমাদের উভয় দেশই উপকৃত হবে। মিলার বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নতুন নতুন প্রযুক্তি, পরিবেশ এবং নিরাপত্তাগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।
গতকাল বুধবার সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান এবং সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, মানবপাচার মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করা এবং পাচার থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষের বিভিন্ন সহায়তা পাওয়ার সুযোগ বাড়ানো যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। শেভরনের মতো করে এলাকায় নতুন চাকরি সৃষ্টির উপায় অনুসন্ধান করা, রাতারগুলের মতো বিশেষ অঞ্চলগুলো সংরক্ষণ করা বা মানবপাচার বন্ধ করা আমাদের অঙ্গীকার। সিলেটে অবস্থানকালে আমার রাতারগুল বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা ঘুরে দেখারও সুযোগ হয়েছে। আমি নৌকায় চড়ে জলাভূমির বনটির দারুণ উদ্ভিদ এবং প্রাণিবৈচিত্র্য দেখেছি। তিনি বলেন, এবার তার এখানে আসার অন্যতম কারণ ছিল:শেভরন করপোরেশনের বিবিয়ানা গ্যাস প্ল্যান্ট পরিদর্শন।