বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত বলেছেন, দেশে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর তত্ত্বাবধানে স্বল্পব্যয়ে গণপরিবহন হিসেবে সিভিল বিমান কার্যক্রম চালু করা হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব ভবিষ্যতে যেকোনো অপারেশনাল স্কোয়াড্রনে দায়িত্ব পালনে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। যশোরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ঘাঁটি মিলনায়তনে গতকাল বৃহস্পতিবার বিমান বাহিনীর ৫ ও ৬ নম্বর বেসিক জেট ও ফাইটার কনভার্শন কোর্স, বেসিক হেলিকপ্টার কনভার্শন কোর্স ও বেসিক ট্রান্সপোর্ট কনভার্শন কোর্সের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আমাদের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। আগামী বছর পহেলা জানুয়ারি থেকে আমাদের দেশে অ্যারোনটিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে বিমান এবং সমুদ্রবিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। তিনি আরো বলেন, এভিয়েশন ক্ষেত্রে আমরা ক্রমাগত উন্নতি করছি। ১৯৭৩ সালে আমরা মার্ক-২ যুগে ছিলাম। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা আধুনিক হচ্ছি। আমাদের উদ্যমের প্রতিফলন ঘটছে। এটা শুধু দেশেই নয়, বিদেশে এমনকি ইউএন মিশনেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। আগামীতে এই ইন্ডাস্ট্রিতে আরো তিনগুণ মানুষ সম্পৃক্ত হবে।
অনুষ্ঠানে কোর্সে অংশগ্রহণকারী ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তা সনদপত্র লাভ করেন। তাদের মধ্যে সেরা একাডেমিক কৃতিত্বের জন্য ৫ জন কর্মকর্তা ওসমানী গোল্ড মেডেল লাভ করেন।