ধর্ষণের শেষে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের ৪৯ দিন পর নারায়ণগঞ্জে স্কুলছাত্রী ফিরে আসার ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তাদের তলব করেছে হাইকোর্ট। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর তাদেরকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।একইসঙ্গে তলব করা হয়েছে মামলার নথিও।
এ সংক্রান্ত রিভিশন মামলার শুনানি শেষে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেন, শুধু নারায়ণগঞ্জ নয়, এ ঘটনায় পুরো ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একইসঙ্গে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায়ের পদ্ধতিতে ত্রুটির রয়েছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা উচিত হাইকোর্টের।
আরো পড়ুন : দেশের ৩১টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
গত ২৪ আগস্ট 'ধর্ষণের পর নদীতে লাশ ফেলে দেওয়া স্কুলছাত্রীর ৪৯ দিন পর জীবিত প্রত্যাবর্তন' শিরোনামে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৪ জুলাই পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী দিসা নিখোঁজ হয়। ওই ঘটনায় ৬ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অপহরণ মামলা করা হয়। মামলার পর পুলিশ আব্দুল্লাহ, রকিব এবং খলিল নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা আদালতে সিআরপিসির ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, দিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে। পরে ওই স্কুলছাত্রীর ফিরে আসার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্তের নামে কিভাবে আসামিদের কাছ থেকে জবানবন্দি আদায় করছে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পরে এ ঘটনায় হাইকোর্টে রিভিশন মামলা করেন আইনজীবী শিশির মনির।
ইত্তেফাক/ইউবি

