ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২০, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
৩১ °সে

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রণোদনা দেয়ার আহ্বান ১৪ দলের

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রণোদনা দেয়ার আহ্বান ১৪ দলের
প্রনোদনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের বিবৃতি

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের প্রভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে। এতে অনেকগুলো ছোট ব্যবসাকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে যাবে। এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কোনভাবে দেশের আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে সহায়তা করা যায় কিনা তা সদয় বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট। বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় নেবেন বলে অর্থমন্ত্রীরও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

শুক্রবার আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম এমপি ক্ষমতাসীন জোটের পক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বিশ্বব্যাপী এই মহাদুর্যোগের সময় আমাদের জাতিগতভাবে নিজস্ব শক্তিতে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। তারপরও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য প্রণোদনা দেওয়া যায় কিনা আমাদের সেই আবেদন থাকবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি করোনায় গার্মেন্টস সেক্টরে ক্ষতিপূরণের স্বার্থে ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যা স্বল্প সুদে ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে। যেহেতু তাদের অনেক বিদেশি অর্ডার স্থগিত কিংবা বাতিল হয়েছে তাই তারা কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত। তবে এদেশে হাজার হাজার ছোট দোকানদার করোনা ভাইরাসের প্রকোপের কারণে দীর্ঘদিন ধরে দোকান বন্ধ রেখেছে। বিভিন্ন ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী যেমন জামা-কাপড়, ইলেক্ট্রনিক্স, বুটিকসসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসায় জড়িতরা, যাদের ব্যবসার আয়ের ওপর শুধু মালিক নয়, কর্মচারীদের জীবিকাও নির্ভরশীল। তারা পড়েছেন চরম বিপাকে। এদেশে বুটিকস শিল্প খুবই জনপ্রিয়। এর সঙ্গে তাঁত শিল্পের ভাগ্য জড়িত। এ কাজটি তারা বন্ধ রেখেছে। ব্যবসা সেভাবে চালাতে পারছে না। এমনকি এবার পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান বাতিল হয়ে গেছে। নববর্ষকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার ব্যবসা হয়ে থাকে। আসন্ন ঈদে দোকানদারদের ব্যবস্থাও অনিশ্চিত। তাই এদেরকে বিশেষ অর্থনৈতিক প্রণোদনা না দিলে হাজার হাজার দোকান মালিক কর্মচারীসহ লক্ষ লক্ষ শ্রমিক প্রচণ্ড দুঃসময়ের সম্মুখীন হচ্ছে এবং হবে। এছাড়া দেশে হাঁস-মুরগি ও গরুর খামার গড়ে উঠেছে। যার মাধ্যমে অনেকের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। ফলে অর্থনীতিতে বিরাট বিকাশ ঘটেছে। এরাও আজ প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। খামারিদের দুধের দামও কমে গেছে। এ বিষয়টি নিশ্চয় আমার দেশের সফল, মমতাময়ী ও জনবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিতে রয়েছে। এই শ্রেণির মানুষগুলোর দুঃখ কষ্ট প্রধানমন্ত্রী অনুধাবন করে থাকেন। তাই দুর্যোগময়কালে এই বিশেষ জনগোষ্ঠীর প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চয় প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করবেন। ১৪ দলের পক্ষ থেকে এটা আমাদের অনুরোধ।

ইত্তেফাক/ইউবি

ঘটনা পরিক্রমা : করোনা ভাইরাস

আরও
এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
০৪ জুন, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন