বাণিজ্য বাড়াতে বন্দর ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব ভারতের

বাণিজ্য বাড়াতে বন্দর ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব ভারতের
ছবি : সংগৃহীত।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে দেশের স্থলবন্দর ও রেলসহ নৌপথের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। তিনি বেনাপোলসহ স্থলবন্দরগুলোতে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ ধরনের সেবার অনুপস্থিতির কারণে পণ্য পরিবহনে দীর্ঘসূত্রতা হচ্ছে। ফলে ব্যবসায়ের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।

গতকাল রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) কার্যালয়ে সংগঠনটির সভাপতির সঙ্গে সাক্ষাত্কালে তিনি এসব কথা বলেন। পণ্য পরিবহনে রেলপথ ব্যয় সাশ্রয়ী হওয়ায়, উভয় দেশের পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে রেলপথের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের রেল ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি সিরাজগঞ্জে রেলওয়ের একটি কনটেইনার ডিপো স্থাপন, বিদ্যমান নৌপথের বেশকিছু জায়গায় নাব্য বাড়াতে ড্রেজিং করা ও নীতিমালা সংস্কারে গুরুত্ব দেন।

এ সময় উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর সম্ভাবনা কাজে ব্যবসায়ীদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে উত্পাদিত ভোজ্য তেল অথবা আমদানিকৃত ভোজ্য তেলের অন্তত ২০ শতাংশ মূল্য সংযোজন করা সম্ভব হলে তা ভারতে রপ্তানি করতে বাধা নেই। তিনি বলেন, এছাড়া ভারতে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিএসটিআইর সনদেও সত্যায়ন যেন ভারতে গ্রহণযোগ্য হয়, তা নিয়ে ভারত সরকার কাজ করছে। এ বিষয়ে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সমুদ্রপথে বাংলাদেশ থেকে দিল্লিতে পণ্য পরিবহনের খরচ কমিয়ে আনতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের নিজ নিজ দেশের সরকারের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শও দেন ভারতের হাইকমিশনার।

ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, এছাড়া ভারত সরকারের চালুকৃত ‘কাস্টমস রুলস ২০২০’ আইনের কারণে ‘সাফটা’ ও ‘আপটা’-এর আওতায় ভারতের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্তসুবিধা গ্রহণে সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। এছাড়া ভারতের দিল্লিতে বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী পণ্য সমুদ্রপথে পরিবহনের ব্যয় বেশি হওয়াসহ বেশকিছু ইস্যু তুলে ধরে তা সমাধানে গুরুত্ব দেন তিনি।

ইত্তেফাক/এএইচপি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x