ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের লোগো উন্মোচন

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের লোগো উন্মোচন
ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের উন্মচিত নতুন লোগো। ছবিঃ সংগৃহীত

ব্যবসা পরিচালনার পারিপার্শ্বিক অবস্থার ক্রমাগত পরিবর্তনের সাথে মিল রেখে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটি বাংলাদেশ) কোম্পানি লিমিটেড তার কর্পোরেট লোগো পরিবর্তন করেছে।

রবিবার (১০ জানুয়ারি) থেকে নতুন কর্পোরেট লোগোটি উন্মোচিত করেছে বিএটি বাংলাদেশ। পূর্ববর্তী লোগোটি বিগত কয়েক যুগ ধরে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

নতুন এই লোগোটি কোম্পানির প্রগতিশীলতার পাশাপাশি একটি মাল্টি-ক্যাটাগরি পোর্টফোলিও কোম্পানি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য সম্পর্কে ধারণা দেয়।

বিএটি গ্রুপ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং বিশ্বের ১৮০টিরও বেশি দেশে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। পরিবর্তনশীল ব্যবসায়িক প্রেক্ষাপটের সাথে তাল মেলানোর পাশাপাশি ব্যবসায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে বিএটি বাংলাদেশ নতুন এক লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিএটি বাংলাদেশ তার পরিবেশ, সামাজিক ও প্রশাসনের (ইএসজি) উদ্যোগগুলিকে কেন্দ্র করে সরকারের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে “একটি সম্ভাবনাময় আগামীর” লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।

বিএটি বাংলাদেশের এই নতুন যাত্রার মূলে থাকবে, দায়বদ্ধতার সাথে গ্রাহকদের সকল মুহূর্ত উপভোগ করার সুযোগ নিশ্চিত করা, পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব হ্রাস করা। কর্মীদের কাজ করার জন্য একটি গতিশীল ও অনুপ্রেরণামূলক কর্মস্থল তৈরি করা, এবং শেয়ারহোল্ডারদের দীর্ঘস্থায়ী ও উচ্চতর মুনাফা নিশ্চিত করা।

দীর্ঘ ১১০ বছর ধরে বিএটি বাংলাদেশ এ দেশের কর্পোরেট খাতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছে। এছাড়াও, বিএটিবি প্রতিনিয়ত দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে, যার ফলস্বরূপ এই প্রতিষ্ঠানের বহু কর্মী আজ দেশ ও বিদেশে বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত আছেন।

আরও পড়ুনঃ আমদানি মূল্য জটিলতায় হিলি স্থলবন্দরে চালের ছাড় হচ্ছে না

উপরন্তু, বিএটি বাংলাদেশ এ দেশের বেসরকারি খাতের সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত এবং সর্বোচ্চ মূলধনী কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই কোম্পানিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং পরিচালনা পর্ষদে তাঁদের প্রতিনিধিত্বও রয়েছে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে সরকারকে সহায়তা করতে প্রতিষ্ঠানটি বদ্ধ পরিকর। এরই ধারাবাহিকতায় এসডিজির সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইএসজি কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

এই খাতে দেশের স্টক এক্সচেঞ্জের একমাত্র তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে দেশের প্রচলিত আইন অনুসরণ করে, স্টেকহোল্ডারদেরকে লোগো সম্পর্কে অবগত করছে কোম্পানিটি। নতুন লোগোটি পর্যায়ক্রমে কারখানা, অফিস, গুদাম সহ বিভিন্ন স্থাপনায় দৃশ্যমান হবে এবং কোম্পানির ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও রবিবার থেকে নতুন লোগোটি দেখা যাচ্ছে।

ইত্তেফাক/এমএএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x