ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২৬ °সে


ভালবেসে বারবার প্রতারিত, ৪৭ বছরেও সিঙ্গেল অভিনেত্রী

ভালবেসে বারবার প্রতারিত, ৪৭ বছরেও সিঙ্গেল অভিনেত্রী
তাবাসসুম ফাতিমা হাসমি (টাবু)। ছবি: সংগৃহীত

তাবাসসুম ফাতিমা হাসমি। বলিউডে সবাই তাকে টাবু নামেই চেনেন। মাত্র ১৪ বছর বয়স থেকেই অভিনয় শুরু করেন তিনি। ১৯৮০ সালে ‘বাজার’ ছবিতে তাকে খুব ছোট ভূমিকায় দেখা গিয়েছিলো। এরপর ১৯৮৫ সালে ‘হম নওজওয়ান’ ছবিতে দেবানন্দের মেয়ের ভূমিকায় তাকে দেখা গিয়েছিল। তেলুগু, তামিল, বাংলা, হিন্দিসহ বিভিন্ন ভাষার ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। বলিউডের অন্যতম সেরা এই অভিনেত্রীর বর্তমান বয়স ৪৭। আপাতত তিনি বিয়ের কথা ভাবছেন না। নিজেকে হ্যাপিলি সিঙ্গেল বলে থাকেন। কিন্তু এখনো কেনো তিনি সিঙ্গেল? এমন প্রশ্ন সবার মুখে মুখে।​

ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, টাবুর সিঙ্গেল থাকার পেছনে অনেকগুলো কাহিনী লুকিয়ে রয়েছে। অনেক ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে এগিয়েছে তার জীবন। ভালবেসে বারবার প্রতারিত হয়েছেন তিনি।

আরো পড়ুন: শ্মশানে নিতেই নড়ে উঠলো দেহ, ভূত ভেবে পালালো গ্রামবাসী

তার অভিনয় দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে যান বনি কাপূর। ১৯৮৭ সালে ‘প্রেম’ ছবিতে সঞ্জয় কাপুরের বিপরীতে টাবুকে নেন তিনি। সেই শুরু। তারপর থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি টাবুকে। লাফিয়ে উঠেছে তার কেরিয়ার গ্রাফ। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে অনেক আঘাত সহ্য করতে হয়েছিল তাকে। টাবু অবশ্য বরাবারই ভীষণ খোলামেলা। নিজের ঘাত-প্রতিঘাতগুলো কখনো লুকিয়ে রাখেননি তিনি। বরং তার লাভ লাইভ সম্বন্ধে ভীষণ সোজাসাপ্টা জবাব দিয়েছেন তিনি।

তার জীবনে প্রথম পুরুষ ছিলেন সঞ্জয় কাপুর। ‘প্রেম’ ছবিতে অভিনয় করা থেকেই তাদের প্রেমের সূত্রপাত। টাবু সম্পর্কটাকে নিয়ে ভীষণ সিরিয়াস ছিলেন। কিন্তু অনেক দিন ডেট করার পর কোনো অজ্ঞাত কারণে তাবুর সম্পর্ক ভেঙে ফেলেন সঞ্জয়।

সঞ্জয় কাপুরের সঙ্গে বিচ্ছেদের শোক ভুলতে তবুর বেশ কিছু দিন লেগেছিল। কিন্তু মানসিকভাবে দৃঢ় টাবু এই আঘাত কাটিয়ে ওঠেন। কেরিয়ারে মনোনিবেশ করেন। এরপরই তার জীবনে দ্বিতীয় পুরুষের প্রবেশ। তিনি পরিচালক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা।

টাবুর ব্যক্তিগত জীবনে এটা ছিল দ্বিতীয় আঘাত। মনের জোরে এর থেকেও বেরিয়ে এসেছেন তিনি। তবে তৃতীয় আঘাতটা ছিল সবচেয়ে জোরদার। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, বিশ্বাসঘাতকতার যন্ত্রণা একসময় টাবুকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরেছিল।

টাবুর জীবনে তৃতীয় পুরুষ, দক্ষিণী সুপারস্টার নাগার্জুন। টাবুর সঙ্গে ডেট করার সময়ই নাগার্জুন বিবাহিত ছিলেন। টাবু সেটা জানতেনও। তাই তারা গোপনে ডেট করতেন। এভাবে ১০ বছর তাদের সম্পর্ক থাকে। যা সময়ের সঙ্গে ক্রমশ গভীর হয়। এতদিন টাবু আশা করে ছিলেন যে তাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি নাগার্জুন রাখবেন। কিন্তু শেষমেশ তা হয়নি। ১০ বছর পর তাবু উপলব্ধি করেন যে, নাগার্জুন তার স্ত্রীকে ছেড়ে তার কাছে আসবেন না। এতদিন তাকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছেন। এরপর জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেন তাবু। ১০ বছরের এই সম্পর্ক ভেঙে বেরিয়ে আসেন।

এখন তিনি হ্যাপিলি সিঙ্গল। নিজেকে এই ভাবেই দেখতে পছন্দ করেন টাবু। খুব বেছে সিনেমা করেন। নতুন করে সম্পর্কে জড়ানোর এখনই কোনও ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইত্তেফাক/বিএএফ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২১ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন