বর্ষাকালের স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়াতে ত্বক হয়ে পড়ে নিষ্প্রাণ। এ মৌসুমে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় ত্বকে র্যাশ ও ব্রণ বেড়ে যায়। তাছাড়া কাজের চাপে নিয়মিত ত্বকের যত্নও নেওয়া হয়না। এর ফলে স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে ত্বক হয়ে পড়ে নিষ্প্রাণ। লকডাউনে যেহেতু পার্লারে যাওয়া বন্ধ, তাই ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফেরাতে ঘরোয়া রূপচর্চার বিকল্প নেই। চলুন জেনে নেওয়া যাক নিষ্প্রাণ ত্বকে সজীবতা ফেরাতে কী কী করবেন।

১. একটি আলুর অর্ধেক ভালো করে বেটে নিয়ে তার মধ্যে ২টেবিল চামচ দই ও ১টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি ভালো করে মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখার পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। আলুতে রয়েছে প্রাকৃতিক ব্লিচের উপাদান এবং লেবুতে রয়েছে সাইট্রিক অ্যাসিড, যা ত্বকের ম্লান ভাব দূর করে।

২. পরিমাণমতো বেসন পানির সঙ্গে মিশিয়ে ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এর সাথে কয়েক ফোঁটা মধু কিংবা লেবুর রস মেশাতে পারেন। এতে ত্বকে নিষ্প্রাণ ভাব কমবে।
৩. তুলসীপাতা বেটে পেস্ট করে নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে নিয়ে ত্বকে মাখুন। দশ মিনিট পর ধুয়ে দেখবেন ত্বকের আগে ও পরের তফাতটুকু।

৪. ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করতে পারেন ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে। এর সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন সামান্য পরিমাণ বেসন বা কয়েক ফোঁটা লেবুর রস। নিয়মিত ত্বকে ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

৫. ১টেবিল চামচ কফি পাউডারের সঙ্গে ২টেবিল চামচ মধু ও ১চা চামচ ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে মুখে ও ঘাড়ে লাগান। মুখে হাল্কা করে বৃত্তাকার পদ্ধতিতে ম্যাসাজ করুন। তারপর ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন। কফিতে রয়েছে ক্যাফিন, যা ত্বককে এক্সফোলিয়েট করতে সহায়তা করে।

৬. ২টেবিল চামচ অ্যালোভেরার সঙ্গে ১টেবিল চামচ ঠাণ্ডা দুধ ও ১টেবিল চামচ চন্দন গুঁড়া মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগিয়ে রাখুন। ৪০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চন্দন ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল করে এবং অ্যালোভেরা ত্বকে আনে সজীবতা। এছাড়া সবচেয়ে সহজ হচ্ছে ফলের ব্যবহার। বলা হয়ে থাকে, যেকোনো ফলই আপনি খাওয়ার পাশপাশি রূপচর্চার জন্য ব্যবহার করতে পারেন।
ইত্তেফাক/আরএম

