পৌনে এক ঘণ্টা দেরি করে গতকাল বুধবার ঈদযাত্রার প্রথম ট্রেন রাজশাহীগামী ধুমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা ছেড়েছে। এরপর খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস, চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী, চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ও রংপুর একপ্রেসও দেড় থেকে দুই ঘণ্টা বিলম্বে ছেড়ে যায়। ফলে এসব ট্রেনের যাত্রীদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে।
ঈদযাত্রার প্রথম দিন গতকাল বুধবার কমলাপুর থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে তিনটি ঈদ স্পেশালসহ মোট ৩৭টি আন্তঃনগর ট্রেন। এই ট্রেনগুলোয় মোট আসন প্রায় ৩০ হাজার। এদিকে ঈদযাত্রায় বাস, ট্রেন ও লঞ্চে ডেঙ্গু লার্ভাবাহী এডিস মশা যেন দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেতে না পারে সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ জুলাই যারা ট্রেনের আগাম টিকিট কিনেছিলেন তারাই গতকাল যাত্রা শুরু করেন। অপরদিকে দূরপাল্লার বাসেও ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোয় মঙ্গলবার থেকে প্রতিদিন তিন দফায় ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার আমিনুল হক জুয়েল বলেন, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের টিকিটের জন্য ব্যাপক চাহিদা ছিল। এই দুই দিন কমলাপুর স্টেশনে প্রচণ্ড ভিড় হবে। তবে ভিড় সামলাতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত প্রতিদিন কমলাপুর স্টেশন থেকে ৬০ হাজার মানুষ ঢাকা ছাড়বেন।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রতিদিন ৬৫টি ট্রেন ছেড়ে যাবে। এসব ট্রেনে মোট ৫৯ হাজার ৬৭৭ জন টিকিটধারী যাত্রী চলাচল করবে। তবে এই সংখ্যার চেয়ে তিন-চার গুণ বেশি যাত্রী ট্রেনে করে গন্ত্যব্যে পৌঁছাবে।
রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামান জানান, তারা চারটি ফগার মেশিন কিনেছেন। ঢাকা বিমানবন্দর ও তেজগাঁও স্টেশনে এগুলো ব্যবহার করা হবে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, বাসযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তারা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছেন। বাসগুলো ছাড়ার আগে মশার স্প্রে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ফগার মেশিন দিয়ে বাস স্ট্যান্ডগুলোয় মশা নিধন করা হচ্ছে।

