ম্যারাডোনা বয়স ৫৮, বান্ধবী রোসিও ওলিভার ২৮। বয়সে ৩০ বছরের ছোট স্বদেশী নারী ফুটবলারের সঙ্গে দহরম মহরমটা ভালোই চলছিল। বিশ্বকাপের সময়েও বান্ধবীকে ম্যারাডোনার সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। তবে বিচ্ছেদ হওয়ার পরে এই ফুটবল কিংবদন্তিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন তাঁর বান্ধবী। অথচ সেই বাড়িটা ম্যারাডোনারই দেয়া।
বান্ধবীর এমন আচরণে রীতিমতো ক্ষুব্ধ ম্যারাডোনা। সম্প্রতি আর্জেন্টিনার এক টিভি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সঙ্গিনীর গায়ে হাত তোলার মানুষ নই, তবে ইচ্ছে হচ্ছিল ওর মাথাটা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলি।’ সেই অনুষ্ঠানে ম্যারাডোনা আরও বলেন, ‘ও ছুটিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেটাও তো আমার টাকায়!’
বান্ধবীর পরিবারকে দেয়া বাড়িটি ফেরত নেয়ার আভাস দিয়ে ম্যারাডোনা বলেন, ‘ওর পরিবারকে যে বাড়িটা দিয়েছিলাম, সেটা আমার। আমি সেটা নিয়ে নেব। আমি ফাদার ক্রিসমাস নই যে ঘুরে ঘুরে মানুষকে জিজ্ঞাসা করব, কার কী লাগবে!’
আরও পড়ুন: দখলকৃত দ্বীপ নিয়ে আবের সঙ্গে আলোচনায় পুতিন
ম্যারাডোনার শারীরিক অবস্থাটা আপাতত ভালো নেই। পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের জন্য অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে তাঁকে। মেক্সিকোর দ্বিতীয় ডিভিশনের ক্লাব ডোরাডোর কোচিংয়ের পুনরায় একবছরের জন্য নিজের চুক্তি নবীকরণ করেছেন। তবে অস্ত্রোপচারের কারণে ক্লাবে সময়ে যোগ দিতে পারেননি সাবেক এই আর্জেন্টাইন তারকা।
ইত্তেফাক/কেআই
