ঘাটাগন যুগ্নীতলা মন্দির ও শ্মশান: নেই চুল্লি পানি বিদ্যুতের আলো

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২০, ১৬:১৯

নওগাঁর রাণীনগরের একডালা ইউনিয়নের প্রাচীন ঘাটাগন যুগ্নীতলা মন্দির ও মহাশ্মশান ঘাট নানা সমস্যায় জর্জরিত। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে রাণীনগর উপজেলা ও পাশের বগুড়া জেলার আদমদীঘি ও নন্দীগ্রাম উপজেলা শেষ সীমান্তে নাগর নদীর পাড়ে এটি অবস্থিত। নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থা, চুল্লি ও পানি সংকট এবং বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা না থাকায় ধর্মীয় কর্মকাণ্ডসহ মৃতদেহ সৎকারে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

জানা গেছে, উপজেলার ঘাটাগন মৌজায় কয়েকজনের দানে প্রায় ১৭ শতক জায়গার ওপর অবস্থিত মন্দির ও শ্মশান ঘাট। মন্দিরের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারী কোনো সহযোগিতা এখনও পাওয়া যায়নি। প্রতিবছর পূজা-পার্বণ জাঁকজমক ভাবেই পালিত হয় এখানে। সমাগম ঘটে প্রচুর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। ঘাটাগন গ্রাম থেকে মন্দির পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা মেঠো পথ। একটু বৃষ্টি হলেই কাদায় পরিণত হয়। তখন পায়ে হেঁটে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় থাকেনা। মন্দির চত্বরে নেই কোনো স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বসার জায়গা। বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় মন্দির ও শ্মশানে মৃতদেহ সৎকার করতে আসা লোকজনের। 

আরও পড়ুন: ঢাকার দুই সিটিতে ব্যালটে ভোট চায় বিএনপি

মন্দির ও শ্মশান পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রবিন্দ্রনাথ রায় জানান, দীর্ঘদিন যাবত মন্দির ও শ্মশানের সংস্কার ও সংরক্ষণের কাজ না হওয়ায় আজ হুমকির মুখে পড়েছে। প্রতিনিয়ত ধর্মীয় ও নানাবিধ কাজকর্ম করতে চরম বিঘ্ন ঘটছে। 

একডালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম জানান, সকল সমস্যা সমাধানের জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছি। নির্দেশনা ও অর্থের বরাদ্দ পেলেই পরিষদের পক্ষ থেকে সাধ্য মতো সংস্কার ও সংরক্ষণের কাজ শুরু করবো।

নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, বিষয়টি জেনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছি। আশা করছি বরাদ্দ এলেই দ্রুত এর সংস্কার ও আধুনিকায়নের কাজ শুরু করা হবে।

ইত্তেফাক/এসি