গুদামে জায়গা নেই, খোলা আকাশের নিচে ধান

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২০:৫৪

সিলেট জৈন্তাপুর উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামে ধান আর আটছে না। ইতিমধ্যে ধারণ ক্ষমতার ধান বেশি সংগ্রহ করা হয়েছে। স্থান সংকুলান না হওয়ায় চলিত বছরেও মজুদ করতে হিমসিম খেয়েছে গুদামের কর্মকর্তারা। গুদামের ধারণ ক্ষমতা পাঁচশ মেট্রিক টন হলেও চলতি বছরে দুই হাজার ২৬৯ মেট্রিক টন ধান এবং ৪৬৯ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করতে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে জৈন্তাপুর খাদ্য গুদামে ছয়শ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। বাহিরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে শত শত মেট্রিক টন ধান। বৃষ্টি হলেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে ধানগুলো। 

খাদ্য নিয়ন্ত্রক সিরাজদৌলা জানান, ভেতরে জায়গা না থাকায় কৃষকের ধান ওজন দিয়ে বাইরে মজুদ করে রাখা হয়েছে। গুদাম খালি হওয়ার সাথে সাথে ভেতরে নেওয়া হবে। স্থান সংকটের বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অনেক কৃষক গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ধান নিয়ে আসেন তাই তাদের ফিরিয়ে না দিয়ে আমরা চেষ্টা করছি ধান সংগ্রহ করতে। বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় ধানগুলো নিয়ে চিন্তা হচ্ছে। কর্তপক্ষের সিদ্ধান্ত পেলে আশা করি দু-এক দিনের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে। 

আরও পড়ুন: উনিশের যুবারাই রাঙালো প্রস্তুতি ম্যাচ

এ ব্যপারে উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন এলাকার কৃষক ধান নিয়ে গুদামে আসছে। গুদামে জায়গা না থাকায় বরান্দায় মজুদ করছি। ইতিমধ্যে সিলেটের কেবিবিএম অটোরাইস মিলের সাথে সেদ্ধ চাউল ভাঙানোর চুক্তি হয়েছে। কিন্তু ১৩৫ মেট্রিক টন ধান থেকে চাউল তৈরি করে পূনরায় গুদামে সরবরাহ করায় ধান সংগ্রহে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। চলতি বছরে আরও ১৭১ মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহ করার জন্য টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ইত্তেফাক/এসি