সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিক রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যেই ২৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও যাবতীয় কাজ আগের মতই চলমান রয়েছে। প্রথম ইউনিটের রিএ্যাক্টর ভবনের ইনার মাউন্টিন ব্লক প্রিপারেশনের কাজ ২০ মিটার পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং ৩৪.৪২ মিটার পর্যন্ত কাজ এখন চলমান রয়েছে। ১২টি মাউন্টিন ব্লকের মধ্যে ৩টি স্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কাজের অগ্রগতি প্রসঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান নির্মাণ কাজের ২৫ ভাগ সম্পন্নের বিষয়টি নিশ্চিত করে ইত্তেফাককে বলেন, করোনা ভাইরাসের দ্বারা যাতে দেশী-বিদেশী কোন কর্মী আক্রান্ত না হয়, এজন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আর এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বংলা গড়ার স্বপ্ন আরো একধাপ এগিয়ে যাবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, করোনা মেকাবেলায় তার মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়ে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ ও বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের মাধ্যমে ঢাকার ৭টি হাসপাতালে নিয়মিত স্যাটিাইজার সরবরাহ করছে। রাজশাহীতেও অচিরেই স্যানিটাইজার সরবরাহ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর ইত্তেফাককে জানান, এরই মধ্যে প্রথম ইউনিটের রিএ্যাক্টর ভবনের ইনার মাউন্টিন ব্লক প্রিপারেশনের কাজ ২০ মিটার পর্যন্ত সম্পন্ন এবং ৩৪.৪২ মিটার পর্যন্ত কাজ এখন চলমান রয়েছে। ১২টি মাউন্টিন ব্লকের মধ্যে ৩টি স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, গত ১৭ই মার্চ মাসে প্রকল্প এলাকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, পরিকল্পনা মন্ত্রী আব্দুল মান্নান এবং রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচোভ সরেজমিনে প্রকল্পের কর্মযজ্ঞ পরিদর্শনের সময় কাজের অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
প্রসঙ্গত: রাশিয়ার সার্বিক সহযোগিতায় নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে থাকছে সর্বাধুনিক থার্ড প্লাাস প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর ভিত্তিক দুটি ইউনিট। ২০২৩ সালের মধ্যে ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিট এবং ২০২৪ সালের মধ্যে আরো ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিট হতে বাণিজ্যিকভাবে অপারেশন শুরু হওয়ার কথা।

