রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় তিস্তা নদীর ভাঙনে দিশেহারা দিশেহারা পূর্ব তালুক শাহাবাজ গ্রামের শত শত মানুষ। ইতিমধ্যে অনেকেই নদী ভাঙনের কবলে পড়ে শেষ আশ্রয়টুকু হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। আতঙ্কে রয়েছেন কয়েক গ্রামের মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী ভাঙ্গনরোধে কার্যকরী কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
উপজেলার পূর্ব তালুক শাহাবাজের গ্রামের বাসিন্দা কাউনিয়া ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যপক মো. জয়নুল আবেদীন বলেন, ভাঙন রোধে স্থানীয় প্রশাসাশন থেকে সর্বচ্চ প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে একটি ক্রোস বাঁধের আবেদন করে অনেকবার স্মারলিপি গ্রাম বাসী দিয়েছেন। কিন্তু আজ অবদি এর কোনো ফল পাওয়া যায়নি।
এব্যাপার কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. উলফুত আরা বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙন কবলিত মানুষের তালিকা তৈরি করে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইতালি পৌঁছেছে বিমানের বিশেষ ফ্লাইট, দ্বিতীয় ফ্লাইট ১৭ জুন
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রোকৌশলী মো. মেহেদী হাসান বলেন, নদীতে পানির নব্যতা ঠিক না থাকায় তিস্তা এখন উত্তাল। কখন কোথায় করালগ্রাসী রূপ নিয়ে ভেঙে চলছে তা নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তিস্তা সড়ক সেতু থেকে ভাটিতে চার কিলোমিটার এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধে গাইট বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। চীনও বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তা নদী পারের গাইড বাঁধসহ বিভিন্ন প্রকল্প চুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে তিস্তা পারের মানুষের নদী নিয়ে আর কোনো চিন্তা করতে হবেনা।
ইত্তেফাক/এসি
