কেরুর এমডি জানেন না তার কর্মচারি ৪৫ কেজি রূপাসহ ধরা পড়েছে

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:০৯

শুক্রবার গভীর রাতে বিজিবির কাছে ৪৫ কেজি রূপাসহ আটক হয় কেরু চিনিকলের কর্মচারি উজ্জ্বল। এর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় মিল এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। অনেকেই বলাবলি করছে ‘তার খুঁটির জোর কোথায়?’

বিজিবি ও পুলিশ সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কেরুর চিনি কলের ইক্ষু বিভাগের চুক্তিভিত্তিক সাবস্টেশনে গার্ড হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত উজ্জ্বল। চাকরির পাশাপাশি গোপনে অবৈধ কাজ করে বলেও ব্যাপক প্রচার রয়েছে। গত ৩ জুন ২০১৮ সালে প্রথম ১৬ কেজি রূপা ও মোটরসাইকেলসহ বিজিবি হাবিলদার সাইফুল ইসলামের কাছে আটক হয়েছিল। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর গত ৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার গভীর রাতে বিজিবির টহল কমান্ডার কবির হোসেন অভিযান চালিয়ে উজ্জ্বলের মিলপাড়ার বাড়ি থকে ৪৫ কেজি রূপাসহ তাকে আটক করে দামুড়হুদা মডেল থানায় সোপর্দ করে। বহুল আলোচিত এই ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে ফলাও করে খবরটা ছাপা হয়েছে।

রবিবার বেলা ২টার দিকে দর্শনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, কেরুর এম ডি প্রকৌশলী এনাযেত হোসেনের কাছে জানতে চান, ‘উজ্জ্বল একজন মিল কর্মচারি। সে পরপর দুইবার চোরাচালানী মালামাল নিয়ে বিজিবির হাতে আটক হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না?’

উত্তরে কেরুর এমডি বলেন, ‘আমরা জানি না, আপনার কাছে শুনলাম। তবে বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা ৬ ব্যাটালিয়ন বিজিবি পরিচালক লে কর্নেল ইমাম হাসান জানান, ‘আটক উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। আটককৃত রূপার মুল্য ধরা হয়েছে ৩২ লাখ টাকা।’

ইত্তেফাক/নূহু