ঢাকা বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬
৩০ °সে


কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের কাজে অনিয়ম

কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের কাজে অনিয়ম
সড়কের একাংশ। ছবি: ইত্তেফাক

কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কটি সংস্কারের পর বছর পার না হতেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সেটি এখন যেন চষা জমি! এ অবস্থার জন্য এলাকাবাসী কাজে অনিয়মকে দায়ী করছে।

ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া-পাকশি-দাশুড়িয়া মহাসড়কে চলাচলকারী জনসাধারণ দীর্ঘ কয়েক বছর অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহায়! এরপর পর চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কয়েক কোটি টাকা ব্যায়ে সড়কটি সংস্কার করা হয়। রাস্তাটি সংস্কারে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর গাফিলতি ছিলো বলে অভিযোগ আছে। ঠিকাদারের কাছ থেকে রহস্যজনক কারণে কাজটি সিডিউল মোতাবেক বুঝে নিতে পারেনি তারা। ফলে বছর না পার হতেই সড়কের বিভিন্ন স্থান চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়কটি বর্তমানে রীতিমত চষা জমির আকার ধারণ করেছে।

সচেতন মহলের ধারণা নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করে কাজ শেষ করায় রাস্তাটির এ বেহাল দশা হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার সুযোগে তৈরি হওয়া সড়কটিতে যানবাহন চলাচলে ধীর গতির পাশাপাশি দুর্ঘটনায় প্রতিদিন নিহত ও আহতের ঘটনা বেড়েই চলেছে।

বিশেষ করে সড়কটির কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলাধীন রানাখড়িয়া জ্যোতি ফিলিং স্টেশনের সামনে বেশ কিছুদূর এলাকা ইতিমধ্যে মারাত্মক ঝুঁকিপুর্ণ হয়ে পড়েছে।

বৃষ্টি না ঝরলেও আষাঢ় মাস শুরু হয়েছে। আষাঢ় যখন তার চিরচেনা রূপে আবির্ভূত হবে তখন সড়কটি পানি আর কাদায় একাকার হয়ে কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিজয়ী

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপ করলে তিনি বলেন, ‘সড়কটির জ্যোতি ফিলিং স্টেশনের পাশে ৩টি বালুর ঘাটের কারণে সড়কটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গেল ঈদুল ফিতরের আগেই রাস্তার ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করার কথা ছিল। ঈদের কারণে সম্ভব হয়নি। তবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চলাচল অনুপযোগী এলাকাগুলো সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার দ্রুত মেরামত করে দেবেন বলেও জানান নির্বাহী প্রকৌশলী।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৪ জুলাই, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন