আগামী মাসে ব্রিটেনে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ উঠেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। ব্রিটেনের নির্বাচনে তিনি একটি দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন রাজনৈতিক নেতাসহ অনেকে।
বৃহস্পতিবার লন্ডনভিত্তিক টক রেডিও স্টেশন এলবিসি’কে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে ট্রাম্প বলেন, লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন প্রধানমন্ত্রী হলে ‘ব্রিটেনের জন্য খুব খারাপ হবে’। সে আপনাদের আরো খারাপ অবস্থায় নিয়ে যাবে। এলবিসি রেডিওর এই অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ছিলেন ব্রেক্সিট পার্টি নেতা নাইজেল ফারাজ।
সেখানে ট্রাম্প বলেন, ব্রিটেনের অনেক নেতার সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এক জন চমত্কার মানুষ এবং আমি মনে করি এই সময়ের জন্য তিনিই সঠিক মানুষ। আমি বিশ্বাস করি, জনসন এবং ফারাজ ব্রেক্সিট সম্পন্ন করতে এক সঙ্গে কাজ করবেন। আমি জানি তারা দুই জন মিলে চমত্কার কিছু করবেন। তারা এক সঙ্গে হলে অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত হবেন।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে নাইজেল ফারাজের দলকে বরিস জনসনের দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্পের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ফারাজ বলেন, জনসন এই ভয়ঙ্কর চুক্তি (ব্রেক্সিট ডিল) বাতিল করলেই এক সঙ্গে কাজ করবেন। এ সময় ট্রাম্প বলেন, জনসনের এই চুক্তির ফলে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি করা অসম্ভব হবে। যদিও ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই চুক্তির আওতায় বিশ্বজুড়েই মুক্তবাণিজ্য অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। এটি খুবই ভালো চুক্তি।
ট্রাম্পের এই সাক্ষাৎকারের পর এক টুইটে করবিন বলেন, ট্রাম্প নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছেন। তিনি চান তার বন্ধু জনসন নির্বাচিত হোক। দ্য গার্ডিয়ানের এক জন রাজনৈতিক সংবাদদাতা বলেন, ট্রাম্প এই সাক্ষাৎকারকে নির্বাচনে হস্তক্ষেপের জন্য ব্যবহার করেছেন।
ইত্তেফাক/এসআর

