সমুদ্রে ডুবে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সচল ছিল ইন্দোনেশিয়ার বিমানটি

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২১, ১৬:১২

গত সপ্তাহে সমুদ্রে বিধ্বস্ত হওয়া শ্রীবিজয়া বিমানের ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার (এফডিআর) থেকে তথ্য সফল ভাবে ডাউনলোড করেছে ইন্দোনেশিয়ার তদন্তকারী সংস্থা, শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছে দেশটির পরিবহন সুরক্ষা সংস্থা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পরিবহন সুরক্ষা কমিটি (কেএনকেটি) একটি বিবৃতিতে বলে, রেকর্ডারটিতে ৩৩০ প্যারামিটার রয়েছে এবং সবগুলি ভাল অবস্থায় আছে।

প্যারামিটারগুলোতে সাধারণত বিমানের রুট,গতি, ইঞ্জিনের শক্তি এবং ফ্ল্যাপস কনফিগারেশন সহ বিভিন্ন  সিস্টেম থেকে রেকর্ড করা তথ্য সংগৃহীত থাকে। প্যারামিটার থেকে উদ্ধারকৃত তথ্য থেকে জানা যায়, ৬২ জন যাত্রী নিয়ে ৯ ই জানুয়ারী জাকার্তা থেকে যাত্রা শুরু করার কয়েক মিনিটের পরে ২৬ বছরের পুরনো বোয়িং কো ৭৩৭-৫০০ মডেলের বিমানটি ধ্বংস হয়।

কেএনকেটি ভাষ্যমতে এফডিআর তথ্য নিশ্চিত করেছে যে বিমানটি পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বিমানের উভয় ইঞ্জিনই কাজ করছিল। তবে বিমানটির অন্য ব্ল্যাক বক্স ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডারের অনুসন্ধান এখনো অব্যাহত রয়েছে।

দেশটির পরিবহন সুরক্ষা সংস্থা সংস্থাটির প্রধান বৃহস্পতিবার রয়টার্সকে বলেন, কেএনকেটি আন্তর্জাতিক মানের সাথে মিল রেখে ক্র্যাশ হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তারা।

স্থানীয় সময় শনিবার দুপুরে রাজধানী জাকার্তা থেকে বিমানটি উড্ডয়ন করেছিল। পরবর্তীকালে সাগরের ওপরে ১০ হাজার ফুট উচ্চতায় থাকা অবস্থায় বিমানটি নিখোঁজ হয়ে যায়। এরপর থেকেই বিমানটির সঙ্গে কন্ট্রোল রুম থেকে আর যোগাযোগ করা যায়নি। বিমানটিতে ১০ শিশুসহ ৫০ জন যাত্রী এবং ১২ জন ক্রু সদস্য ছিল। বিমানে থাকা সকল আরোহীই ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

ইত্তেফাক/এএইচপি