ঢাকা শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯, ৭ বৈশাখ ১৪২৬
৩৩ °সে

থাইল্যান্ডে নির্বাচনে ফল প্রকাশে বিলম্ব, জালিয়াতির অভিযোগ

থাইল্যান্ডে নির্বাচনে ফল প্রকাশে বিলম্ব, জালিয়াতির অভিযোগ
আগামী ৯ মে’র আগে পুর্নাঙ্গ ফল পাওয়া যাবে না বলে খবরে বলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত।

থাইল্যান্ডের নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। যদিও নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটাভুটিতে সামরিক জান্তা সমর্থিত দল এগিয়ে আছে। কিন্তু কমিশন ফল প্রকাশে বিলম্ব করছে বলে অভিযোগ করছে গণতন্ত্রীপন্থি দল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা অভিযোগ করেছেন, সরকার নির্বাচনী ফলে জালিয়াতি করছে। খবর ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান ও রয়টার্সের।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর এই প্রথম থাইল্যান্ডে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। নির্বাচনে দুটি পক্ষের মধ্যে লড়াই হয়। একটি পক্ষ সামরিক জান্তা সমর্থিত এবং অন্য পক্ষ থাকসিন সিনাওয়াত্রা সমর্থিত গণতন্ত্রীপন্থি দল। রবিবার ৯৩ ভাগ ভোট গণনার পর দেখা যায়, ১২৯ টি আসনে গণতন্ত্রীপন্থি পিউ থাই পার্টি সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছে। আর সামরিক জান্তা সমর্থিত দল ১১৭ আসনে এগিয়ে। এর অর্থ কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না। সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করতে ২৫১টি আসন দরকার হয়। ফলে সরকার গঠন করতে বড় দলকে ছোট দলগুলোর সহায়তা নিতে হবে।

বিবিসি জানিয়েছে, ৯০ ভাগ ভোট গণনার পর দেখা গেছে, সামরিক সমর্থিত দল প্ল্যাং প্রচা রাথ পার্টি পপুলার ভোটের ৭৬ লাখ ভোট পেয়েছে। আর পিউ থাই পার্টি পেয়েছে ৫ লাখ ভোট।

এদিকে কমিশনের বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় মিডিয়া বিভিন্ন আসনের ফল ঘোষণা করেছে। এতে উভয় দলেরই জয়ের খবর পাওয়া গেছে। নির্বাচন কমিশন সচিব চারু ভুত ফুম্মা জানিয়েছেন, মানুষের ভুলের কারণে ভোটের ফলে কিছু সমস্যা হয়েছে। সোমবার ফল বিলম্বের ব্যাখা দেওয়ার কথা থাকলেও নির্বাচন কমিশন দেয়নি।

জানা গেছে, আগামী ৯ মে’র আগে পুর্নাঙ্গ ফল পাওয়া যাবে না। ভোটের হার ৬৪ ভাগ। এরই মধ্যে গতকাল কমিশনে বিভিন্ন আসন থেকে নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। উল্লেখ্য, ভোটাররা ভোট দিয়ে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ৫শ’ সদস্য নির্বাচিত করেন। আর দেশটির সংবিধান অনুযায়ী, উচ্চকক্ষ সিনেটের ২৫০ সদস্য সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে আছেন। দুই কক্ষ একত্রে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করে।

সামরিক বাহিনীর জন্য এই ফল আশাব্যঞ্জক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মধ্যে পরাজয়ের আশংকা ছিল। গত ৫ বছরে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধনী ও গরীবের মধ্যে আয় বৈষম্য বেড়েছে। ২০১৬ সালে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয়। এতে সামরিক জান্তাকে উচ্চকক্ষ সিনেটে ২৫০ সিনেটর নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে যারা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন।

ইত্তেফাক/এসআর

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২০ এপ্রিল, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন