ঢাকা বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬
৩২ °সে


মঙ্গলগ্রহ থেকে আসা হিন্দুদের জন্যও থাকবে ছাড়: বিজেপি নেতা

মঙ্গলগ্রহ থেকে আসা হিন্দুদের জন্যও থাকবে ছাড়: বিজেপি নেতা
ছবি: সংগৃহীত

শুধু বাংলাদেশ কেন, মঙ্গলগ্রহ থেকে আসা হিন্দুদের জন্যও থাকবে ছাড়। হিন্দুদের কোনও চিন্তা নেই। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে সাংবাদিক বৈঠকে এসব মন্তব্য করেছেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু।

ভারতের আসামে এনআরসি চালু হওয়ার পরে দেশটির পশ্চিমবঙ্গে নানা স্তরে সংশয় ছড়িয়েছে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারের মতো সীমানাবর্তী জেলা বা মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো বাংলাদেশ ঘেঁষা জেলাগুলিতে এই সংশয়ের মাত্রা কিছুটা হলেও বেশি।

স্থানীয় লোকজনের দাবি, এর যথেষ্ট কারণও রয়েছে। প্রথমত, আসামে যে ১৯ লক্ষ লোকের নাম জাতীয় নাগরিকপঞ্জিতে ওঠেনি, তার মধ্যে নাকি বেশির ভাগই হিন্দু— এমন কথা ছড়িয়েছে এই সব জেলায়। দ্বিতীয়ত, অনেক গোর্খা এবং রাজবংশীদের নামও আসেনি ওই তালিকায়।

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন, যাতে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে দাঁড়িয়ে সংশয় কাটাতে বার্তা দেওয়া প্রয়োজন, মনে করছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

তারই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এনআরসি প্রসঙ্গে সায়ন্তন বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হতেই পারে। কিন্তু এক জন হিন্দুর নামও তার থেকে বাদ যাবে না। সেই হিন্দু বাংলাদেশ থেকে আসুন, আফগানিস্তান থেকে কিংবা মঙ্গলগ্রহ থেকে আসুন।’

একই সঙ্গে তিনি জানান, তৃণমূলের বাধায় আটকে যাওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আমরা রাজ্যসভায় পাশ করাব।

কিন্তু এনআরসি নিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে আলাদা নীতি কেন? এমন প্রশনের জবাবে সায়ন্তন বসু , এ নিয়ে আমাদের দলের কোনও দ্বিচারিতা নেই। কারণ, দেশটা ভাগ হয়েছিল ধর্মের ভিত্তিতে।

বিজেপি এই নেতার এমন মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃদুল গোস্বামী। তিনি বলেন, ভারত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। এখানে ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে ভাগ করা যাবে না। কিন্তু বিজেপি নেতারা এ ধরনের অরুচিকর মন্তব্য করে দেশের ধর্মনিরপেক্ষতাকে আঘাত করার চেষ্টা করছেন।

ইত্তেফাক/এসআর

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৩ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন