বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমেছে। তেলের বাজারে অস্থিরতা, মূল্যস্ফীতি বাড়ার শঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বাড়তে পারে এমন আশঙ্কার প্রভাবে মূল্যবান ধাতুর বাজারে টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো দরপতনের প্রবণতা দেখা গেছে।
শনিবার (২৩ মে) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ২১ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৫০৯ দশমিক ৬৪ ডলারে। সপ্তাহজুড়ে ধাতুটির দাম কমেছে প্রায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ।
একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫২৩ দশমিক ২০ ডলারে নিষ্পত্তি হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এতে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কাকে আরও জোরালো করছে।
স্টোনএক্সের বিশ্লেষক রোনা ও’কনেল বলেন, বিনিয়োগকারীরা এখন অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। হরমুজ প্রণালি ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর তারা নিবিড় নজর রাখছেন।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৫ দশমিক ৫১ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম কমেছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ, যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৩১ দশমিক ৪০ ডলারে। আর প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ২ শতাংশ কমে হয়েছে ১ হাজার ৩৭৯ ডলার।
এদিকে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৩২ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা।
সূত্র: গোল্ডপ্রাইস

