ইউনেক্স সানরাইজ বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ ব্যাডমিন্টনে বাংলাদেশের নারী শাটলার সুখবর দিয়েছেন। টুর্নামেন্টের নারী দ্বৈতের সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশের দুই শাটলার শাপলা আক্তার এবং এলিনা সুলতানা। নেপালকে হারিয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছেন। আজ বিকালে উডেন ফ্লোর জিমনেসিয়ামে সেমিফাইনালে শাপলা ও এলিনার প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়ার ভিভিয়ান হু এবং ইয়াপ চেং ওয়েন।
সেমিফাইনালের সুখবরটি ব্যাডমিন্টনে বেশ সাড়া ফেলেছে। কারণ পুরুষদের বিদায়ের মিছিলের মধ্যে বাংলাদেশের নারী শাটলাররা সেমিতে উঠে আলো ফেললেন। ব্যাডমিন্টন দলের সহকারী কোচ জাহিদুল হক কচি জানালেন বাংলাদেশের মেয়েরা এবারই প্রথম চ্যালেঞ্জ ব্যাডমিন্টনের সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল। যেটা আগে হয়নি। আর শাপলা আক্তার জানালেন তারা আগেও ফাইনাল খেলেছেন সেমিফাইনালও খেলেছেন।
পাবনার মেয়ে শাপলার জন্য বছরের শেষটা অনেক আনন্দের। বছর দুই আগে বিয়ে হয়েছে। ২৫ ডিসেম্বর বিয়ে বার্ষিকী। এখনো সন্তান নেননি। আরও কিছু দিন খেলতে চান, দেশকে পদক উপহার দিতে চান। তার জুটি এলিনা সুলতানার ঘরে ৫ বছরের সন্তান রয়েছে।
প্রতিকূলতার পরও খেলাটা ধরে রেখেছেন খুলনার মেয়ে। চাইছেন সাফল্য এনে দিতে। অনুশীলনে আঘাত পাওয়া চোখের ব্যথা নিয়ে খেলছেন চ্যালেঞ্জ কাপে। বিজয় এনেছেন। গতকাল সকালে উডেন ফ্লোরে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে শাপলা ও এলিনা জুটি ২১-৮ এবং ২১-১৪ পয়েন্টে নেপালকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে। সেমিফাইনালে উঠলেও কোনো পদক পাবে না।
তবে অর্থ পুরস্কার থাকবে নিশ্চিত। টুর্নামেন্টের রেফারি মালদ্বীপের আলী আব্দুল করিম বলেন, ‘সেমিফাইনালে উঠলেই পদক নিশ্চিত নয়। পদক দেওয়াটা নির্ভর করে স্বাগতিক দেশের ওপর। তারা যদি পদক দিতে চায় তাহলে দিতে পারে। কিন্তু টুর্নামেন্টের নিয়মে রয়েছে সেমিফাইনালে উঠলে অর্থ পুরস্কার নিশ্চিত। শুধু ফাইনালে উঠলে পদক পাবেন।’
সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া সম্পর্কে জাতীয় দলের সহকারী কোচ কচি বলেন, ‘ওরা (মালয়েশিয়া) অনেক উপরে। ওদের সঙ্গে আমাদের কোনো তুলনা হয় না। একজন শিক্ষার্থী ১০ বছর ধরে স্কুলে পড়ছে। আরেকজন শিক্ষার্থী একদিন স্কুলে পড়েই কি তার সমান হতে পারবে।’
