উত্তর চরটেকী ডগারপাড় বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে পাঠদান

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৯, ২১:৫৯

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা

পাকুন্দিয়া উপজেলার উত্তর চরটেকী ডগারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে পাঠদান চলছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, নরসুন্দা নদীর পাড়ে লম্বালম্বিভাবে একটি টিনশেড ঘর। এটিই ১৯২ নম্বর উত্তর চরটেকী ডগারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্কুলের নেই কোনো দৃশ্যমান সাইনবোর্ড। ভেতরে চারটি কক্ষে চলছে পাঠদান। শিক্ষার্থী উপস্থিতি সংখ্যাও অনেক কম। টিনশেড এ বিদ্যালয়টির বেড়া ও চালা খুবই জরাজীর্ণ।

১৯৯০ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সালের জুলাই মাসে দ্বিতীয় ধাপে সরকারিকরণ হয়। বিদ্যালয়টির নামে টান ও নামা দুই অংশে ৫২ শতাংশ করে ১০৪ শতাংশ জমি রয়েছে। বর্তমানে নামা অংশে জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে কার্যক্রম চলছে। স্থানীয় সুমন মিয়া, কুলসুম, শামসুন নাহার, হোসনে আরাসহ বেশ কয়েক জন বলেন, ১৯৯০ সালে টানের ৫২ শতাংশ জমিতে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। গত কয়েক বছর আগে নামায় অপর এক ব্যক্তি স্কুলের জন্য জমি দান করেন। সেখানেই বর্তমানে পাঠদান চলছে। তবে বিদ্যালয় ভবনটি যদি টানে নির্মাণ করা হয় তবে সবদিক থেকেই ভালো হবে। বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. হুমায়ুন হোসেন বলেন, জায়গা নির্ধারণ জটিলতায় স্কুল ভবন নির্মাণ আটকে আছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আনিসুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করা হয়েছে। অচিরেই জায়গা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন হবে। জটিলতা নিরসন হলে ভবন নির্মাণে আর কোনো বাধা থাকবে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদ হাসান বলেন, সরেজমিনে পরিদর্শন ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জায়গা নির্ধারণ সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।