একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক এলামনাই!

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৯, ২২:০২

চবির সাবেক শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত

 শামীম হামিদ, চট্টগ্রাম অফিস

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের সংগঠন নিয়ে বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে। দুই বছর আগে চবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি কার্যকর এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে ইতিমধ্যে প্রায় একই নামে একাধিক সংগঠন জন্ম নেওয়ায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা পড়েছেন বিভ্রান্তিতে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পর এলামনাইদের একক সংগঠন সৃষ্টির প্রক্রিয়া নিয়ে ধোয়াশা সৃষ্টি হওয়ায় লক্ষ লক্ষ প্রাক্তন শিক্ষার্থীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

জানা গেছে, নেতৃত্বের কোন্দল শুধু এলামনাই নিয়েই নয়, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোটো বড়ো সব অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করেই বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত সুবর্ণজয়ন্তী আয়োজন নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ প্রকাশ্য বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। তবে শেষ মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ফলে বড়ো কোনো অঘটন ছাড়াই ঐ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছিল।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম তাদের সংগঠনকে চবি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত সংগঠন দাবি করে বলেন, চবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে আর কোনো এলামনাই সংগঠন আছে বলে আমার জানা নেই। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে অনুমোদন দেওয়ার পাশাপাশি একটি অফিস কক্ষও দিয়েছে। আমাদের সংগঠনে অনেক ভিআইপি যোগ দিয়েছেন। এলামনাইদের একাধিক সংগঠন থাকতে পারে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এলামনাই হচ্ছে বন্ধুদের সংগঠন যেখানে কোনো রাজনীতি থাকতে পারে না। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে তারা দশজন মিলেও একটা এলামনাই করতে পারে। একাধিক সংগঠন হলেই তাকে খারাপ চোখে দেখা যায় না।  

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের (এলামনাই) প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক চাকসু জিএস গোলাম জিলানী চৌধুরী বলেন, আমরা সবাইকে এক মঞ্চে এনে একটি সুন্দর অনুষ্ঠান করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। তারা (চবি এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন) একটি আমলা নির্ভর সংগঠন। আমরা মনে করি এলামনাই এর নেতৃত্ব থাকা উচিত সাবেক চাকসু নেতাদের হাতে। আমরা কারো সঙ্গে কোনো বিরোধ চাই না।