সাঈদ সাহেদুল ইসলাম
কাচারি বাজারে নেমে পানটা মুখে দিতেই দিশারি জামানের ফোন। তার সঙ্গে গতকাল দেখা হওয়াতে কথা হয়েছিল তিনি ফোন দেবেন। ফোনটা রিসিভ করতেই ও পাশ থেকে বললেন, ‘ভাই পাঠিয়েছেন?’
বললাম, ‘জি ভাই। গতকাল লাস্ট ডেট ছিল, পাঠিয়ে দিয়েছি।’
ও পাশ থেকে আবারও প্রশ্ন, ‘কী পাঠালেন কাল?’
আমি বললাম, ‘ইয়াবা আর জন্মনিয়ত্রণ সনদ।’
আমার কথা শুনে পেছন থেকে এক ভদ্রলোক খপ করে আমার ডান হাতটা ধরে ফেলে বললেন ‘ইয়াবা চালান করেন মিয়া... এইবার চৌদ্দশিকের ভিতরে হান্দামু।’
আমি রীতিমতো বোকা সেজে গেলাম। কোনোমতে বললাম, ‘ভাই, আপনি যা ভাবছেন, তা নয়, এটা ঠাট্টা...’
‘ঠাট্টা-মশকরার টাইম নাই। অহন কথা হবে ক্লিয়ার-কাট। আপনাকে নিয়ে সোজা থানায় যাব এখন।’
আমি উপায়ান্তর না দেখে বিষয়টি স্পষ্ট করতে ফোন খুলে দেখালাম, ‘ভাই, আমি তো দৈনিক ইত্তেফাকের রম্যসংখ্যা ঠাট্টায় ‘ইয়াবা’ নামের ছড়া আর ‘জন্মনিয়ন্ত্রণ সনদ’ নামের রম্যগল্প—দুটো লেখা পাঠিয়েছি। এই তো মোবাইলেই আছে। সেটা দেখে বিশ্বাস না হলে গতকাল পাঠানো আমার মেইলে গিয়ে সেন্ট অপশনও চেক করতে পারেন। দেখুন, দেখুন...।’
