হালকা ঠ্যালা!

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৯, ১৭:৪৪

 

g  বাসু দেব নাথ

 

v —কিরে নান্টু, শুনলাম ২০ টাকা, ৫০ টাকার নোট নাকি অচল হইয়া গেছে।

—আরে না, কে কইছে?

—আরে আইজ সকালে ব্যাংকে গেলাম টাকা জমা দিতে তারা কইল। ২০ টাকা, ৫০ টাকার নোট নেয় না। বড় নোট নিয়া যাইতে কইল।

 

v —দোস্ত নান্টু, মুশকিলে আছি ছাগলে প্রতিদিন ক্ষেত খায় ফেলে।

—তো ট্যাংরা দেস না কেন?

—আরে ট্যাংরা দেলাম তো, ট্যাংরাও দেখি ক্ষেত খাইয়া ফেলে।

 

v —শুন নান্টু, কাল যাব পাশের বাড়ির বুতনরে বুঝাইতে। তারে সঠিক পথে নিয়া আসা উচিত।

—তয় কি? হকস্টিক নাকি রামদাটা নিতাম সেটা কও?

—সাথে কামানটাও নিয়া নিস।

 

v —নান্টু, শুনলাম চামড়ার দাম কইমা গেছে।

—কইমবো না কেন? কথা বললেই পিঠের চামড়া উইট্টা নিয়া যায়। বাজারে এত্ত চামড়া হইলে মার্কেট তো ফাওন যাইব না! স্বাভাবিক।

 

v —ওই নান্টু, সেইদিন একটা চাইনিজ ফেসবুক ভিডিও দেখে কিছু না বুঝে কমেন্ট গেলাম। সব দেখি চাইনিজ একটা বাংলা বা ইংলিশ কমেন্ট খুঁজতেছিলাম।

—তারপর? পাইলি?

—হ্যাঁ পাইছি।  বাংলাটা ছিল ‘আসেন ভাই হাত মিলান’। ইংলিশটা ছিল ‘আই এম ডেম শিওর, ইউ আর সেইম টু মি’।

 

v —নটি, সাংবাদিক হতে চাই। কতটুকু পড়তে হবে?

—সাংবাদিক হতে ঝাল আছি। তবে সহজেই সাংঘাতিক হয়ে যেতে পারিস। দুই কলম লিখে চাপার জোর থাকলেই হলো।

 

v —নান্টু, সেইদিন গ্রামে এক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম। বিষয় ছিল ঠাট্টা করা।

—ওরে বাপ! বে কি পেলি?

—খেয়া কসমেটিক্স লিমিটেডের পক্ষ থেকে এক হালি ডিম ও এক জোড়া কলা।

—হুম, বেশিই লিমিটেড।