মহান মুক্তিযুদ্ধে নারীর বহুমাত্রিক অংশগ্রহণ ও মর্যাদাপূর্ণ ভূমিকার ইতিহাস সকলের কাছে পৌঁছে দিতে এবং নারীর অবদান স্বীকৃতির জন্য গবেষণার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিজ্ঞজন। তারা বলেন, দুই লাখ মা-বোনের অবদানও সম্মানের সাথে নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে অপমানজনকভাবে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু নারী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণসহ নানাবিধভাবে অবদান রেখেছে। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র ও বাংলাদেশ নারী প্রগতিসংঘের যৌথ উদ্যোগে প্রয়াত ‘বীরপ্রতীক তারামন বিবির স্মরণ সভা’ অনুষ্ঠিত।
স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক। স্মরণসভায় সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ নারী প্রগতিসংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীর। সভা পরিচালনা করবেন নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক পারভীন সুলতানা ঝুমা।
আয়শা খানম বলেন, তারামন বিবি হচ্ছেন একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নারীর যে অংশগ্রহণ তার একটি প্রতীক। তিনি মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকাকে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী বলেন, তারামন বিবিসহ সকল মুক্তিযোদ্ধাই আমাদের গর্ব। তাঁদের প্রাণদানের কারণে আমরা আজ স্বাধীন দেশে বাঁচতে পারছি। তিনি তারামন বিবির পরিবারকে সাহায্যের আহ্বান জানান।
