নদীভাঙন

দৌলতদিয়ায় ছয়টি ফেরি ঘাটের তিনটিই বন্ধ

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৯, ২২:৩২

পদ্মা নদীতে পানি কমলেও রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্তে আবারও দেখা দিয়েছে নদীভাঙন। গত বৃহস্পতিবার ৩ নম্বর ফেরিঘাটটি বিলীন হওয়ায় ছয়টি ফেরিঘাটের মধ্যে তিনটি ঘাটই বন্ধ রয়েছে। অপরদিকে এলাকায় ৩০০ যানবাহন নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে। বিআইডব্লিটিএ ও বিআইডব্লিটিসি সূত্রে জানা গেছে, ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যায়  ৩ নম্বর ফেরিঘাটটির র্যাম বেইজসহ উজানের দিকে লম্বালম্বিভাবে ৫০ মিটার ও চওড়া ২০ মিটার এলাকা জিও ব্যাগসহ ধসে পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ ঘাটটি সচল রাখার জন্য পুনর্নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে ভাঙন তীব্র হওয়ায় ৪ অক্টোবর ১ নম্বর এবং পরদিন ২ নম্বর ঘাটের সংযোগ সড়ক বিলীন হওয়ায় ঘাট দুটি বন্ধ হয়ে যায়। রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড সেখানে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেললেও এখন পর্যন্ত ঐ দুটি ঘাট চালু করা সম্ভব হয়নি।

গতকাল বিকালে ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়ক থেকে ফেরিঘাটের অ্যাপ্রোচ সড়কটির পুরো অংশে ছোটো-বড়ো গর্তের সৃষ্টি হয়ে বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে। বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টির সঙ্গে বাতাস বইতে থাকায় ভাঙনের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে ৩ নম্বর ঘাটের সংযোগ সড়কের মাথা ভেঙে বিলীন হওয়ায় সন্ধ্যার দিকে সড়ক থেকে পন্টুনের মাঝে ফাঁকা হয়ে আলাদা হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে কর্তৃপক্ষ ঘাটটি বন্ধ করে দেয়। ফলে ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ঘাট দিয়ে ফেরিতে যানবাহন ওঠানামা শুরু করে। এর মধ্যে ৬ নম্বর ঘাটটি শুধু ছোটো ফেরির জন্য হওয়ায় কোনো বড়ো ফেরি ভিড়তে পারে না। এতে যানবাহন পারাপার ব্যাহত হওয়ায় ঘাটে গাড়ির চাপ বাড়তে থাকে।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক মাহবুব হোসেন জানান,  দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৫টি ফেরি সচল রয়েছে। চারটি রো-রো ফেরিঘাট সংকটের কারণে বন্ধ রয়েছে। ঘাট এলাকায় নদী পারের অপেক্ষায় ৩০০ যানবাহন রয়েছে।