মোটরসাইকেল থেকে ফেলে হত্যার চেষ্টা, পরে মারধর

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৯, ২২:৩৬

বন্ধুদের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে প্রথমে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ফেলে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। সেই চেষ্টা ব্যর্থ হলে একটি ঘরে আটকে রেখে প্রচণ্ড মারধর করা হয় স্কুলছাত্র ইমাম হোসেন ইমনকে (১৩)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শুক্রবার দিবাগত রাতে চিকিত্সাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। ইমন বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।

উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক নাসির উদ্দিন বেপারী জানান, তার ছেলে ইমনকে গত ৫ অক্টোবর রাতে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায় তারই বন্ধু একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে নূরুন্নবী। এসময় তাদের অপর বন্ধু হাসান, সোহেল ও মুন্না সঙ্গে ছিল। তাদের সঙ্গে ইমনের বিরোধ দেখা দেওয়ার পর নূরুন্নবী চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ইমনকে ফেলে হত্যার চেষ্টা করে। পরে অন্যরা নূরুন্নবীর বাড়িতে আহত ইমনকে আটকে রেখে অমানুষিক নির্যাতন করে। পরের দিন (৬ অক্টোবর দুপুরে) খবর পেয়ে ইমনকে ঐ বাড়ি থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ইমনকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিত্সাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে ইমন মারা যায়।

বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, গত ১৩ অক্টোবর ইমনের পিতা নাসির উদ্দিন বেপারী বাদি হয়ে থানায় ঐ চার জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোহেল নামের এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠায়। ওসি আরো বলেন, হত্যা চেষ্টার মামলাটি এখন হত্যা মামলা হিসেবে এজাহারভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।