আস্থা ভোটে টিকে গেলেন থেরেসা

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২:৩৬

পার্লামেন্টে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। এর ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রাসেলস যাচ্ছেন তিনি। ব্রেক্সিটের পর আইরিশ সীমানা উন্মুক্ত রাখার ব্যাপারে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অঙ্গীকার আদায়ের চেষ্টা করবেন তিনি।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বুধবার অনুষ্ঠিত হয় আস্থা ভোট। হাউজ অব কমন্সে থেরেসা মে’র পক্ষে ভোট দেন কনজারভেটিভ পার্টির ২০০ জন পার্লামেন্ট সদস্য। বিরুদ্ধে ভোট দেন ১১৭ জন। এই ফলাফলের মাধ্যমে আরও অন্তত এক বছরের জন্য কনজারভেটিভ পার্টির দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রিত্বের পদকে সুরক্ষিত করতে সক্ষম হলেন মে। এই সময়ের মধ্যে তার বিরুদ্ধে আর আস্থা ভোটের দাবি গৃহীত হবে না। ইইউ সম্মেলনে ব্রেক্সিট চুক্তি সংক্রান্ত সমস্যাগুলো নিয়ে ইইউ’র অপর ২৭ জন নেতার সঙ্গে মুখোমুখি আলাপ করার সুযোগ পাবেন থেরেসা। এরপর থেরেসা মে-কে ছাড়াই আলাদা এক বৈঠকে ইইউ নেতারা কী করা যায় সে ব্যাপারে কথা বলবেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়া (ব্রেক্সিট) নিয়ে গণভোটের পর ২০১৬ সালে কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আসেন মে।                 কিন্তু আগাম নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর গত বছরও তার নেতৃত্ব নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের জন্য দুই বছরের চেষ্টায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যে চুক্তির খসড়া মে গত মাসে তৈরি করেছেন, তাতে ব্রেক্সিট পিছিয়ে দেওয়া কিংবা এই প্রশ্নে আরেকটি গণভোট আয়োজনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। কিন্তু মের ওই খসড়া তার দলের ভেতরেই প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়েছে। ওই চুক্তির খসড়া নিয়ে সোমবার পার্লামেন্টে ভোটাভুটি হওয়ার কথা থাকলেও পরাজয় নিশ্চিত জেনে মে তা বাতিল করে দেন। কিন্তু তাতেই তার দলে বিদ্রোহ প্রকাশ্যে চলে আসে। কনজারভেটিভ পার্টির এমপিদের মধ্যে ইইউবিরোধীরা মের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে আস্থা ভোট ডেকে বসেন।