কারিগরি শিক্ষা প্রশাসনের আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০১৯, ২১:৪০

কারিগরি শিক্ষা প্রশাসনের আন্তরিকতার অভাবে এনটিআরসিএ কর্তৃক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদে ২০১৬ সালে নিয়োগ পেয়ে এখনো এমপিওভুক্ত হতে পারিনি। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে,  এমপিওভুক্তির জিও-তে নাকি কারিগরি কথাটি লেখা নাই। আমাদের বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্তির তিনটি জিও রয়েছে। ১৯৯৯ সালে নিম্ন মাধ্যমিক শাখা, ২০০০ সালে মাধ্যমিক শাখা এবং সর্বশেষ ২০০২ সালে কারিগরি শাখা। ২০০২ সালের শুরু থেকেই কারিগরি শাখার শিক্ষকদের এমপিও শিট আলাদা। আগে কমিটি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্তদের ঐ জিও দিয়ে এমপিও দিতে সমস্যা নাই। আর আমরা সরকারিভাবে নিয়োগ পাওয়ায় ঐ জিও দিয়ে এমপিও দিতে সমস্যা!

কারিগরি অধিদপ্তরের বক্তব্য হচ্ছে—ঐ জিও মন্ত্রণালয় থেকে সংশোধন করলে তারপর এমপিও দেবে। সংশোধনের জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদনও বহুদিন আগে করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাউশি বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগে বেশ কয়েকবার মিটিং হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগে, মাউশি অধিদপ্তরে ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে অনেক চিঠি চালাচালির পর গত কয়েকমাস আগে মন্ত্রণালয় থেকে একজন যুগ্ন-সচিবের নেতৃত্বে একদল কর্মকর্তা বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। মন্ত্রণালয় থেকে বলা হচ্ছে, আর কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। সেই কিছুদিন কত দিনে হবে (?) জানি না!

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছি। এটুআই থেকে জেলা অ্যাম্বাসেডর মনোনীত হয়েছি। মন থেকে শিক্ষকতা পেশাকে বেছে নিয়েছি। লক্ষ্য আদর্শ শিক্ষক হওয়া। শিক্ষকতার শুরুতেই প্রশাসন কর্তৃক এ ধরনের হয়রানি ও অবজ্ঞার শিকার হওয়ায় মাঝে মধ্যে মন চায়—এ পেশা ছেড়ে দেই।

সামিউল ইসলাম

সহকারী শিক্ষক,

হালিমুন্নেছা চৌধুরাণী মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ভালুকা, ময়মনসিংহ