বন্ধুদের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে মোটরসাইকেল থেকে ফেলে দেওয়া ও পরবর্তীতে নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যাওয়ার অভিযোগ এনে স্কুলছাত্রের লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন গ্রামবাসী। গতকাল রবিবার সকালে বিক্ষোভকালে তারা হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
জানা গেছে, ২০ দিন ঢাকার হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার মারা যায় ইমন। ইমনের বাবা নাসির উদ্দিন জানান, তার ছেলে ৯ম শ্রেণির ছাত্র। গত ৫ অক্টোবর রাতে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায় তার বন্ধু একই গ্রামের আবুল হোসেনের পুত্র নুরুননবী। এ সময় তাদের অন্য বন্ধুদের মধ্যে হাসান, সোহেল ও মুন্না উপস্থিত ছিল। তাদের সঙ্গে ইমনের বিরোধ দেখা দেওয়ার পর নুরুননবী চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ইমনকে ফেলে হত্যার চেষ্টা করে। পরে অন্যরা নুরুননবীর বাড়িতে আহত ইমনকে আটকে রেখে মেরে ফেলার জন্য নির্যাতন করে। পরের দিন দুপুরে খবর পেয়ে ইমনকে ঐ বাড়ি থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বাবুগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, ঘটনার পরপরই ইমাম হোসেনের বাবা হত্যা চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেছেন। আসামি সোহেলকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
