গতকাল দীপান্বিতা অমাবস্যায় হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উত্সব কালীপূজা সাড়ম্বরে উদ্যাপিত হয়েছে। একই দিন উদ্যাপিত হয়েছে দীপাবলি উত্সবও। রাতে মণ্ডপে মণ্ডপে শ্যামা দেবীর পূজা আয়োজন করেন হিন্দুরা। পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণ, আরতি, ধর্মীয় সংগীত, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকসজ্জা প্রভৃতি কর্মসূচি ছিল। দীপাবলি উদ্যাপনের জন্য সন্ধ্যায় মন্দির, মণ্ডপ ও হিন্দুদের ঘরে ঘরে প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়। অনেকে মঙ্গল কামনায় উপবাসব্রত পালন করেন। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে কেন্দ্রীয় শ্যামা পূজা উদ্যাপিত হয়েছে উত্সাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে সেখানে রাতে পূজা ছাড়াও সন্ধ্যায় দীপাবলি অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে সহস্র প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়।
রমনা কালীমন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রমে শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উত্সবের আয়োজন করা হয়। সবুজবাগের বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির ও শ্মশানে শ্যামাপূজার তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা গতকাল থেকে শুরু হয়েছে। মধ্যরাতে পূজা, পাঠা বলি, অঞ্জলি প্রদান ও প্রসাদ বিতরণ ছাড়াও সন্ধ্যা ৬টা ১ মিনিটে মন্দিরের গঙ্গাসাগর দিঘির চারপাশে সহস্রাধিক প্রদীপ প্রজ্বালন, আলোকসজ্জা, ৭টা ১ মিনিটে আতশবাজির আয়োজন করা হয়। এছাড়া রাজধানীর গোপীবাগের রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ মণ্ডপ, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, বনগ্রাম রোডের রাধা-গোবিন্দ জিও ঠাকুর মন্দির, জয়কালী মন্দির রোডের রামসীতা মন্দির, রায়েরবাজার শেরেবাংলা রোড কালীমন্দির, পোস্তগোলা শ্মশান, লালবাগ শ্মশান, ঠাঁটারীবাজার, শাঁখারীবাজার, তাঁতীবাজার, ফরাশগঞ্জ, লক্ষ্মীবাজার, বাংলাবাজার, সূত্রাপুর, দয়াগঞ্জ, শ্যামবাজার, কোতোয়ালি, উত্তর মুশুন্ডী, দক্ষিণ মুশুন্ডী, নারিন্দা, যুগীনগর, নবাবপুর, রাজারবাগ, বাড্ডা, মতিঝিল, রমনা, গুলশান, মোহাম্মদপুর, মিরপুর ও শ্যামপুরসহ বিভিন্ন স্থানেও শ্যামাপূজা উদ্যাপিত হয়েছে।
