ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে সোমবার ভারত সফরে আসছেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের(ইইউ) ২৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার প্রতিনিধি দলটি জম্মু ও কাশ্মীর পরিদর্শনে যেতে পারে বলেও জানা গেছে। খবর এনডিটিভির।
ইউরোপীয় প্রতিনিধিদের আসার খবর পেয়ে আটক কাশ্মীরী নেত্রী মেহবুবা মুফতির কন্যা ইতিজা মুফতি টুইট করে জানান, 'আশা করা যায় সাধারণ মানুষ, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম, চিকিৎসক ও সুশীল সমাজের সদস্যদের সঙ্গে তারা(ইইউ প্রতিনিধিরা) কথা বলার সুযোগ পাবেন। বিশ্ব ও কাশ্মীরের মধ্যে ফেলে রাখা লোহার পর্দাটা এবার তুলে নেওয়া দরকার। জম্মু ও কাশ্মীরকে টালমাটাল পরিস্থিতিতে ফেলার জন্য ভারত সরকারকে দায়ী করা হোক।'
এর আগে গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে জাতিসংঘের এক বৈঠকে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি সম্পর্কে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। গত আগস্টে জম্মু ও কাশ্মীরের ‘স্পেশাল স্ট্যাটাস' তুলে নিয়ে তাকে দু'টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া সংক্রান্ত ভারপ্রাপ্ত সহ-সচিব অ্যালিস জি ওয়েলস তখন জানিয়েছিলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সহ রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের আটক করার বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
আরও পড়ুন: ২০২০ সালে সরকারি ছুটির ৮ দিনই শুক্র-শনিবার
অ্যালিস ওই বৈঠকে বলেন, 'আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি মানবাধিকারের সম্মান করতে এবং ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা সহ সেখানকার(জম্মু ও কাশ্মীরের) সব পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে।'
শুরুতে মার্কিন কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছিল, জম্মু ও কাশ্মীরে সরকারের পদক্ষেপ ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। আর ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বলে আসছিল, জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে তারা পদক্ষেপ করছে।
ইত্তেফাক/এসএইচএম
