আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এত দূষণের মাঝে যতটুকু সুস্থ থাকি তার জন্য অনেকখানি কৃতিত্ব শাকসবজির। নিয়মিত শাকসবজি না খেলে আমাদের সুস্থ থাকাই কষ্টকর হয়ে পড়ত। আজকে দেওয়া হলো শাকসবজির তালিকায় শীর্ষে থাকা পালং শাকের গুণাগুণ।
পালং শাকের ক্লোরোফিল শরীর সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। পালং শাকে রয়েছে অ্যালকালাইন মিনারেল যার মধ্যে অ্যান্টিস্ট্রেস উপাদান রয়েছে। ফলে এটি স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। পালং শাকে প্রায় সব ধরনের ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদানের উপস্থিতি আছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, নিয়মিত পালং শাক খেলে হার্টের সমস্যা, কোলন ক্যান্সার ও আথ্রাইটিস হওয়ার আশঙ্কা কমে। পালং শাকে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিভিন্ন ক্যান্সার রোধে সহায়তা করে। পালং শাকে প্রচুর ক্যারোটিনয়েড রয়েছে, যা অন্ধত্ব প্রতিরোধে সহায়তা করে। পালং শাকে প্রচুর ভিটামিন এ ফোলেট রয়েছে। ফোলেট অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং গর্ভবতী মায়েদের জন্য ফোলেট খুবই উপকারী। আধা কাপ সিদ্ধ করা পালং শাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন-বি৬, রাইবোক্লোডিন রয়েছে। পালং শাকের সঙ্গে কিছু ফ্যাট জাতীয় খাবার খান। তাহলে শরীরে খুব সহজেই পুষ্টি উপাদানগুলো গ্রহণ করতে পারবে। কিডনি ও পিত্তে পাথর থাকলে, রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলে, গ্যাস্ট্রিক, হেপাটাইটিসের সমস্যা থাকলে পালং শাক এড়িয়ে চলুন।
১০০ গ্রাম পালং শাকে রয়েছে, ক্যালরি-১৭ গ্রাম, আয়রন-৫ গ্রাম, পটাসিয়াম-৫০০ গ্রাম, ক্যালসিয়াম-১৭০ গ্রাম, ভিটামিন সি-২৩ গ্রাম, বিটাক্যারোটিন-৩৫০০০ মাইক্রোগ্রাম, ফলিক অ্যাসিড-১৫০ মাইক্রোগ্রাম। সুস্থ থাকতে দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গী করে নিন শাকসবজি।
