কানাইঘাটে সড়কে অবৈধ গরুর হাট

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০১৯, ২১:০৬

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় সড়কের বাজারে অবৈধভাবে গরুর হাট বসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাজারটির মধ্য দিয়ে চলে গেছে সিলেট-জকিগঞ্জ সড়ক। প্রতিদিন ভোর থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত গরুর হাট বসায় সড়কে যানজট লেগেই থাকে। সরেজমিনে কানাইঘাট উপজেলার সড়কের বাজার ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে ও বিভিন্ন বাড়ির আঙিনায় শেড তৈরি করে বসানো হয়েছে গরুর হাট। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, কানাইঘাট উপজেলার ৩ নম্বর পূর্ব দিঘিরপার ইউনিয়নে অবস্থিত বাজারটিতে সরকারিভাবে কোনো গরুর বাজার বসানোর অনুমতি নেই বা গরুর বাজার হিসেবে ইজারা নেই। চলতি বছরের শুরু থেকে কিছুসংখ্যক প্রভাবশালীর সহযোগিতায় বাজারটিতে চোরাকারবারিরা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পথ দিয়ে গরু এনে অবৈধভাবে এ হাট গড়ে তুলে। এলাকাবাসী জানায়, বাজারটি একটি অংশকে গরুর হাট হিসেবে চিহ্নিত করে ইজারার আওতায় নিলে সরকার রাজস্ব আয় হতো।

এ বিষয়ে জানতে ৩ নম্বর পূর্ব দিঘিরপার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল জানান, সড়কের বাজারটি ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা উপজেলা পরিষদের অধীনে নয়। তবে বাজারটি বহু বছর থেকে ওয়াকফের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। ওয়াকফের মাধ্যমে ওপেন টেন্ডারের নিলাম হয়। নিলামে প্রাপ্ত টাকা ওয়াকফ ফান্ডে যাচ্ছে। চলতি বছর বাজারটি ৬৬ লাখ টাকায় নিলাম হয়েছে। এর বাইরে আমার জানা নেই। বাজারটি বৈধ্য না অবৈধ আপনারা খোঁজ নিন। সীমান্ত পার হয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ করছে কীভাবে সেটি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভালো জানে।

এ বিষয়ে কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আনোয়ার জাহিদ প্রতিবেদককে জানান, বাজারের বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ বিষয়ে বলতে পারবে। ভারতীয় গরুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সীমান্তের দায়িত্ব আমাদের নয়, অনেক সময় কানাইঘাট থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। বর্তমানে আমার থানায় প্রায় ৩০টি ভারতীয় গরু আটক রয়েছে। পুলিশের জনবল সংকট; সে ক্ষেত্রে গরু পাচারে সীমান্ত রক্ষীবাহিনী তাদের টহল জোরদারে ভূমিকা রাখলে তা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।