১০ নভেম্বর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০১৯, ২২:২৯

বাংলাদেশের আকাশে গতকাল ১৪৪১ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে।

আজ বুধবার (৩০ অক্টোবর) থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসাবে আগামী ১০ নভেম্বর, রোববার (১২ রবিউল আউয়াল) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (স) উদ্যাপিত হবে। গতকাল মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম মসজিদের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাসূত্রে চাঁদ দেখার কথা জানা গেছে। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ। সভায় ধর্মসচিব মো. আনিছুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রতিনিধিসহ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, চকবাজার শাহি মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান ও লালবাগ শাহি জামে মসজিদের খতিব মুহাম্মদ নিয়ামাতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ঈদে মিলাদুন্নবি হলো বিশ্ব মানবতার মুক্তির দিশারি রহমাতুল্লিল আলামিন সাইয়েদুল মুরসালিন খাতামুন্নাবিয়িন তাজদারে মদিনা জগত্কুল শিরোমণি সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র জন্ম ও ওফাত দিবস।

এখন থেকে ১৪৪৯ বছর আগে আইয়্যামে জাহেলিয়াতের ঘনঘোর তমসা ছাওয়া ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের সুবহে সাদিকের সময় জাজিরাতুল আরবের মক্কা নগরীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমিনার কোল আলো করে ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ আসেন দুনিয়ায়। জন্মের আগেই তিনি পিতৃহারা হন এবং জন্মের অল্পকাল পরই বঞ্চিত হন মাতৃস্নেহ থেকে। অনেক দুঃখ, কষ্ট ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে চাচা আবু তালিবের আশ্রয়ে বড়ো হয়ে ওঠেন। ৪০ বছর বয়সে উপনীত হওয়ার পর তিনি মহান রব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে নবুয়্যতের মহান দায়িত্ব লাভ করেন। অসভ্য, বর্বর ও পথহারা জাতিকে সত্যের সংবাদ দিতে তিনি তাদের কাছে তুলে ধরেন মহান রব্বুল আলামিনের তাওহিদের বাণী। কিন্তু অসভ্য, মূর্খ জাতি তাঁর দাওয়াত গ্রহণ না করে রসুলের ওপর নির্যাতনই শুধু করেনি, সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিভিন্নমুখী চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করতে থাকে একের পর এক। আল্লাহর সাহায্যের ওপর ভরসা করে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন বাজি রেখে সংগ্রাম চালিয়ে যান তিনি।