রূপগঞ্জে জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০৬

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গীর মৌজাস্থিত জালিয়াতির মাধ্যমে জমি বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, রূপগঞ্জের জাঙ্গীর মৌজার আরএস ৩২৫নং দাগের ৬৯ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি আফজাল গংদের পক্ষে আমমোক্তার নামা দলিলে নিযুক্ত হয়ে জাঙ্গীর গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী নাছরিন আক্তার রেজিস্ট্রি বায়না করেন। এছাড়া ২০০৯ সালের ৭ জুন ভিংরাব মৌজার ৪৭নং দাগের ৫৫ শতাংশ জমি শুকুর মাহমুদ ও নাসির উদ্দিন ভুঁইয়ার পক্ষে আমমোক্তার নামা দলিলে নিযুক্ত হয়ে নাছরিন আক্তার রেজিস্ট্রি বায়না করেন। ২০০৯ সালের ২৪ মে নাছরিন আক্তার বনানীর চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার বেল্লাল হোসেন ভুঁইয়ার স্ত্রী ফরিদা ইয়াছমিনের কাছে বিক্রির উদ্দেশ্যে রেজিস্ট্রি বায়না করেন। ২০১০ সালে অন্য মহিলাকে ফরিদা ইয়াছমিন সাজিয়ে রেজিস্ট্রি বায়না দুটি বাতিল করেন। এক পর্যায়ে উক্ত জমি একটি আবাসন প্রকল্পের কাছে বিক্রি করে দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে নাছরিন ও তার সহযোগীরা আত্মসাত্ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নাছরিন আক্তার বলেন, টাকার প্রয়োজনে জমি বিক্রির জন্য রেজিস্ট্রি বায়না করেছিলাম। পরবর্তীতে জমির দলিল গ্রহীতা রেজিস্ট্রি করে নেননি। তিনি নেই-নিচ্ছি করে নানা টালবাহানা করেন। উপায়ান্তর না দেখে আমি জমি অন্যত্র বিক্রি করে দেই। নাছরিনের দেওয়া বায়নার অধিকাংশ টাকা তার স্বামী বেল্লাল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করি। ফরিদা ইয়াছমিন আরো কিছু টাকা আমার কাছে পাবেন। সুযোগ মতো বাকী টাকাও পরিশোধ করে দিব। ফরিদা ইয়াছমিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।  এ ঘটনায় মো. বেল্লাল হোসেন বাদি হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।