শিল্পের ভূবনের অনন্য প্রতিভা কালিদাস কর্মকার। অল্প সময়ে ছবি আঁঁকার ক্ষেত্রে তার জুড়ি মেলা ভার। পৃথিবীর যেখানেই গেছেন, রং-তুলির ছোঁয়ায় সেখানেই তুলে ধরেছেন নিজের দেশ, মানবিকতা ও বাংলা সংস্কৃতিকে। শিল্পরসিকদের শোকের সাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন কালিদাস। কিন্তু তার শিল্পকর্মের মধ্য দিয়ে এদেশের মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন গুণী এই শিল্পী। কালিদাসকে নিয়ে এমন মূল্যায়নই করলেন তার বন্ধু, সুহূদ ও স্বজনেরা।
শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদের সহযোগিতায় গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এই স্মরণানুষ্ঠান।
এতে কালিদাস কর্মকারের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন বরেণ্য শিল্পী হাশেম খান, নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, পাখি বিশেষজ্ঞ এনাম আল হক, শিল্পী জাহিদ মুস্তফা, কীরিটি রঞ্জন বিশ্বাস, আশরাফুল আলম পপলু, একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। পরিবারের পক্ষে স্মৃতিচারণা করেন দুই কন্যা কেয়া কর্মকার ও কঙ্কা কর্মকার এবং দুই ভাই প্রশান্ত কর্মকার ও দিলীপ কর্মকার। অনুষ্ঠানের শুরুতেই একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী কালিদাসের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
নাট্যোত্সবে মঞ্চস্থ ‘গীতি চন্দ্রাবতী’
রাজারবাগের বরদেশ্বরী কালীমন্দির প্রাঙ্গণে মঞ্চায়ন হলো সংস্কার নাট্যদল প্রযোজিত নাটক ‘গীতি চন্দ্রাবতী’। দুই দিনের ত্রিনয়নী নাট্যোত্সবের সমাপনী সন্ধ্যায় গতকাল মঞ্চায়ন হয় নাটকটি। নয়নচাঁদ ঘোষের রচনা থেকে নাটকটির নির্দেশনায় ছিলেন ইউসুফ হাসান অর্ক। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মনামী ইসলাম কনক,
বাপ্পী সাইফ, ফাতেমা তুজ জোহরা ইভা, আশিকুর রহমান, নাবা চৌধুরী, খন্দকার রাকিবুল হক, মাসুদ কবির, হুমায়রা তাবাসসুম নদী, রাকিবুল ইসলাম রাসেল, মেছবাহুর রহমান, জান্নাত তাসফিয়া বাঁধন, ইগিমি চাকমা, মোস্তফা জামান সৌরভ, উষ্মিতা চৌধুরী, নির্ঝর অধিকারী, মায়ান মাহমুদ, টুটুন চাকলাদার, মোস্তাফিজুর রহমান মফিজ, সানাউল্লা সান্টু, সেলিম রেজা স্বপন প্রমুখ। অন্যদিকে উত্সবের সমাপনী সন্ধ্যায় আরো মঞ্চায়িত হয় ঢাকা পদাতিক প্রযোজিত নাটক ‘পাইচো চোরের কিসসা’।
