ইত্তেফাক রিপোর্ট
দুদকের মামলায় পাটকল শ্রমিক জাহালমের কারাভোগের ঘটনায় জারিকৃত রুলের ওপর হাইকোর্টে চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়েছে। শুনানিতে দুদকের আইনজীবীর উদ্দেশে আদালত বলে, ২০১০ সালে সোনালী ব্যাংক মামলা করল। তারপর দুদক দুই বছরে ৩৩টি মামলা করেছে। এখন আপনারা অধিকতর তদন্ত করছেন। এ তদন্ত শেষ হবে কবে? আদালত বলে, জাহালম রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে। এখন পর্যন্ত তো জাহালম নির্দোষ আপনারা মেনে নিয়েছেন। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, জাহালম ভুল তদন্তের শিকার সেটা আমরা মেনে নিয়েছি। তার মুক্তির ব্যাপারে আমাদের আপত্তি ছিল না।
বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ শুনানি গ্রহণ করেন। আগামী বৃহস্পতিবার পরবর্তী শুনানি হবে।
শুনানিতে সোনালী ব্যাংকের আইনজীবী জাকির হোসেন বলেন, জাহালমের শনাক্তের ক্ষেত্রে ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা নেই। তবে এ ঘটনায় জাহালম অবশ্যই ক্ষতিপূরণ পাওয়ার দাবি রাখে। জাহালমের এ কারাভোগের জন্য তদন্ত সংস্থাই দায়ী।
ব্র্যাক ব্যাংকের আইনজীবী এম আসাদুজ্জামান বলেন, জাহালম শনাক্তের ব্যাপারে দুজন কর্মকর্তা দায়িত্ব পায়। তাদের প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। এরই মধ্যে এক জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। অন্যজনকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। গত ৩০ জানুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে জাহালমের কারাভোগের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ঐ প্রতিবেদন আমলে নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করে।
