সাটুরিয়ায় নেই শিল্পকারখানা বেকারেরা জড়াচ্ছে অপরাধে

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০১৯, ০০:১০

নিজের মেয়েকে বিদ্যালয়ে ভর্তি না করে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগসাজসে ভুয়া তথ্য দিয়ে এক ব্যক্তির স্কুল পরিচালনা কমিটি-এসএমসির সদস্য হওয়ার ঘটনা ফাঁস হয়েছে। শিবালয় উপজেলার অক্সফোর্ড একাডেমি নামক উচ্চ বিদ্যালয়ে এডহক কমিটি গঠনে জনৈক মো. জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকী অভিভাবক সদস্য নিযুক্ত হন। এ বিষয়ে অভিযোগ উঠলে উপজেলা সিনিয়র মত্স্য অফিসার মো. আতিয়ার রহমানের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে এ ঘটনার সত্যতা মেলে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্সফোর্ড একাডেমি প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন এসএমসি গঠনকালে ভুয়া কাগজপত্রের ভিত্তিতে জাহাঙ্গীর আলমকে অভিভাবক সদস্য হিসেবে গণ্য করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠালে গত ৬ মার্চ এডহক কমিটি অনুমোদন হয়। অথচ উক্ত জাহাঙ্গীরের কোনো ছেলে বা মেয়ে অক্সফোর্ড একাডেমিতে ভর্তি হয়নি বা তাদের হাজিরা খাতাতেও নাম নেই। তার মেয়ে সুহা তাসমিম পার্শ্ববর্তী বরংগাইল জিসি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণির মানবিক শাখায় রেজিস্ট্রেশনকৃত ছাত্রী। জাহাঙ্গীর আলম পার্শ্ববর্তী বরংগাইল গোপাল চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে ময়ে সুহা তাসমিমের নামে প্রত্যায়নপত্র নিয়ে অক্সফোর্ড একাডেমিতে জমা দেন।

তদন্তে বলা হয়, প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন অত্র বিদ্যালয় পরিচালনায় অসদাচরণ, খামখেয়ালিপনা ও জাহাঙ্গীর আলমকে এসএমসি সদস্য বানানোর ক্ষেত্রে ভুয়া তথ্য ব্যবহার করেছেন। জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষ নিয়ে তিনি নানা অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার কূটকৌশলের আশ্রয় নেন। উল্লেখ্য, জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়ন সরকারি কলেজের ভাইস-প্রিন্সিপ্যাল পদে কর্মরত রয়েছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গোলাম ফারুক ইত্তেফাককে জানান, ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।