সাঈদ সাহেদুল ইসলাম
ভূতের গলিতে প্রবেশ করতেই একজন বলল, ‘বেটা, চিত্কার করবি না, যা আছে দিয়ে দে।’
আবুল তার ফোনটা দিয়ে দিল। আরেকটু সামনে আরেজন, ‘কথা বলার টাইম নেই শালা। এত রাতে এখানে? কী আছে বের কর।’ আবুল তার পকেটে থাকা হাজার দুয়েক টাকা ওর হাতে তুলে দিল।
ভাবছে, আর তো কিছু দেওয়ার নেই, সামনে হয়তো প্রাণটাই দিতে হবে। সামনে পাওয়া একখানো খড়ির ফালা পাওয়ায় সাহস করে নিজের জামা-প্যান্ট খুলে এবার ভূত সাজল সে। যে পথে যাচ্ছিল এখন আবার সেই পথেই ফিরছে আবুল। সামনের তাকে জন বলল, ‘তুই কে রে?’
‘ভূতের গলির ভূত! শালা, যা আছে দিয়ে যা! পালাতে পারবি না! আমার পেত্নী আমার পাশে অদৃশ্য অবস্থায় তলোয়ার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে! দৌড় দিলেই...। বুঝলি?’
নিজের টাকাসহ আরো বাড়তি কিছু টাকা ফেরত পেল আবুল। আবুলকে পেছনে রেখে সামনে দৌড়াচ্ছে সে। আরেজনসহ ফিরেও এলো আবার। ভূত বলল, ‘তোরা মানুষের মোবাইলও কেড়ে নিস! আমাকে দুটো মোবাইল দিয়ে দে। আমার জন্য একটা, আমার পেত্নীর জন্য একটা! দে, বাঁচতে চাইলে জলদি দে, নইলে...।’
ভয়ে দুটো মোবাইল দিয়ে দেয় ওরা। ভূত এবার মোবাইল দুটো নিয়ে ওদের চোখে ধুলো ছিটিয়ে দিয়ে বলল, ‘এই যে তোদের ধুলোপড়া দিলাম, আর কোনোদিন কারো কোনো টাকা, মোবাইল ছিনতাই করবি না তোরা। তবেই কোনো ভূত ধরবে না তোদের, হা হা হা..., হা হা হা...।’
