সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের বাজার সংলগ্ন মুক্তা নদীর উপর পুরাতন সেতুটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন ৯ গ্রামের মানুষসহ যাত্রীবাহী ও মালবাহী যানবাহন চলাচল করে থাকে। এতে যেকোন সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। সেতুটি সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর।
জানা যায়, প্রায় ৩০ বছর আগে লালপুর গ্রামের মুক্তা নদীর উপর এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে সেতুর সংস্কার কাজ হয়নি। ফলে সেতুর একাধিক স্থানের ঢালাই ও রেলিং ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এই সেতুর উপর দিয়ে লালপুর, সাক্তারপাড়, বাহাদুরপুর, সোনাপুর, রামপুর, ভাদেরটেক, মনিপুরীহাটি, গোবিন্দপুর এবং চালবন্দ গ্রামের একাংশের মানুষজন, স্কুলের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, রোগীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে থাকেন। এছাড়া মোটরসাইকেল, সিএনজি, মালবাহী ট্রলি ইত্যাদি যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয় বাসিন্দা শাহ আলম জানান, প্রতিদিন লালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাক্তারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পঞ্চগ্রাম মাদ্রাসার প্রায় ৩-৪ শ ক্ষুদে শিক্ষার্থী এই সেতু দিয়ে আসা-যাওয়া করে। সেতুর উপর দিয়ে চলাচলের সময় একটু অসতর্ক হলেই দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তাই সেতুটি দ্রুত সংস্কার জরুরি প্রয়োজন।
লালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল হক বলেন, এই সেতুটি অনেক পুরাতন। সে সময় সেতুর কাজও হয়েছিল সাধারণভাবে। সেতুর দৈর্ঘ্য যাই হউক কিন্তু প্রস্থ কম। আমাদের এলাকার কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সেতুর উপর দিয়ে আসা-যাওয়া করে ঝুঁকি নিয়ে। সেতুটির সংস্কার জরুরি প্রয়োজন। সদর উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সেতু সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বাজেট আসলে কাজ শুরু হবে।
