মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২:০৫

শুক্রবার বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম-এর উদ্যোগে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার জাতীয় প্রেসক্লাবে (তৃতীয় তলায়) অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, “৭০’ এর নির্বাচনে ৬ দফাই ছিল প্রধান নির্বাচনী ইশতেহার। ঐ নির্বাচনে ২৪% ভোট ৬ দফার বিপক্ষে পড়েছিল। প্রকৃতপক্ষে, যারা তখন বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল, তারাই পরবর্তীতে দেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে কাজ করেছিল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল, নতুন রাষ্ট্রের মেরুদণ্ডকে ভেঙে দিতে এই সকল পাকি-প্রেতাত্মাদের সহযোগিতায় ১৪ ডিসেম্বর দেশের বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। এরাই পরবর্তীতে ৭৫’ বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ৭৫’ পরবর্তীকালে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে রাজাকারদের পুনরায় রাজনীতি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়।”

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল ‘মুক্তি’। আর ‘মুক্তি’ শব্দটি স্বাধীনতাকালে বঙ্গবন্ধুর ভাষণে সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত হয়েছে। এই মুক্তির আন্দোলন ছিল মূলত অপসংস্কৃতি, বৈষম্য ও শোষণ থেকে মুক্তি, আর বাংলাদেশ হবে বহু বাচনিক। দেশে মানুষের স্ব-স্ব স্বাধীনতা বজায় থাকবে। বাঙালিত্বের মূল চেতনা ঠিক থেকে যে যার দিক থেকে ধর্ম ও সংস্কৃতি পালনের স্বাধীনতা থাকবে। এগুলোই হচ্ছে স্বাধীনতার মূল চেতনা।”

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে কলামিস্ট ও সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ-এর সহ-সভাপতি এম. নজরুল ইসলাম এবং স্বাগত বক্তা হিসেবে কলামিস্ট ফোরামের সদস্য-সচিব সৌরভ জাহাঙ্গীর বক্তব্য প্রদান করেন। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন  ড. মিল্টন বিশ্বাস।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি